মৌলভীবাজারে পূজা মণ্ডপে ভাঙচুর

দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় পার্বণ শারদীয় দুর্গোৎসব। মহাসপ্তমীতে শুরু হয় দেবীদর্শন, দেবীর পায়ে ভক্তদের অঞ্জলি প্রদান ও প্রসাদ গ্রহণ।

নতুন খবর হচ্ছে, কুমিল্লার ঘটনার জেরে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও কুলাউড়ায় বেশ কিছু মন্দির ও পূজা মণ্ডপে হামলা-ভাঙচুরের পর বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বুধবার রাতে মন্দিরে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা প্রশসান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কমলগঞ্জ থানার ওসি ইয়ারদৌস হাসান বলেন, এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করেছেন তারা।

বিজিবি শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুবুল ইসলাম বলেন, “ধর্ম যার যার আনন্দ সবার। পূজার আনন্দ যাতে কেউ মলিন না করতে পারে, সেজন্য জেলা পুলিশের পাশাপাশি ৪৬ বিজিবি থেকে দুই উপজেলায় দুই প্লাটুন বিজিবি মধ্য রাত থেকেই টহল শুরু করেছে।”

বুধবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে একদল লোক মুন্সীবাজার মইডাইল পূজা মণ্ডপে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করে বলে কমলগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল চন্দ্র দাস জানান।

এছাড়া বাসুদেবপুর পুজামণ্ডপ, পতনউষার ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর জগন্নাথ জিওর আখড়া পূজা মণ্ডপ এবং বৈরাগীর চক সার্বজনীন পূজামণ্ডপের তোরণ ও বৈদ্যুতিক বাতি ভাঙচুর করা হয় বলে জানান তিনি।

মুন্সীবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুনীল মালাকার ও রেজাউল করিম নোমান জানান, রামপুর সার্বজনীন পূজা মণ্ডপ ও নারায়ণক্ষেত শব্দকর একাডেমি পূজামণ্ডপের গেইটও ভাঙচুরের শিকার হয়েছে।