আরও বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম

মহামারি করোনাসময়ে চাহিদা কম থাকায় ওপেক তাদের তেল উত্তোলন কমিয়েছে। এখন সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক হওয়ার পরেও ওপেকের তেল উত্তোলন বৃদ্ধি পায়নি। এতেই ঘটেছে বিপত্তি। জ্বালানি তেলের সংকটে বৃদ্ধি পেয়েছে তেলের দাম।

এদিকে করোনাসময়ে যে তেলের দাম মাইনাস ৩৭ ডলারে নেমে এসেছিল, এখন সেই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ ডলার। ধারণা করা যাচ্ছে ২০২২ সালের মধ্যে তেলের দাম গিয়ে দাঁড়াবে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার কিংবা এর বেশি।

বর্তমানে বিশ্বে সবথেকে বেশি তেল আমদানি করে ভারত এবং চীন। করোনা পরবর্তী সময়ে দেশগুলোর শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ায় বেড়েছে তেলের চাহিদা। চাহিদা এবং যোগানের সমন্বয় না হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে তেলের দাম।

তেলের দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ওপেকের উপরে খেপেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান সিএনএনকে বলেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়ে আমরা সব পর্যায়ে আলোচনা করেছি। বিশ্বাস করি, এ মুহূর্তে ঠিক কাজটিই করছি আমরা।’

এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্বের সবখানে। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে।