আরব আমিরাত থেকেই দেশে ফিরে যাচ্ছেন ডমিঙ্গো

শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। এই প্রবাদের মিল চেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই মিল আর হতে দিলো না অস্ট্রেলিয়া। অসিদের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে নেমে স্রেফ উড়ে যায় বাংলাদেশ।

নতুন খবর হচ্ছে, চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। ব্যর্থতায় মোড়ানো বিশ্বকাপে চরম হতাশাজনক পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে দল। ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং- সবক্ষেত্রেই ছিল বিশাল ঘাটতি।

তবে বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় শেষ হলেও বাংলাদেশ দলের সঙ্গে ফিরছে না কোচিং স্টাফের সদস্যরা। কোচদের সকলে যে যার মতো করে দেশে ফিরে যাচ্ছেন। এক সপ্তাহ ছুটি কাটিয়ে পাকিস্তান সফরের আগে কোয়ারেন্টিনে ঢুকবে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোচেরাও। পাকিস্তান সিরিজ সামনে রেখে ক্রিকেটাররা অনুশীলন শুরু করবে ১২ তারিখ থেকে।

জিম্বাবুয়ে সফর থেকেই টানা ক্রিকেটের মধ্যে আছে বাংলাদেশ দল। এরপর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইটি সিরিজ খেলতে হয়েছে টানা, বিশ্রামের ফুরসত মেলেনি খুব একটা। কিউইদের বিপক্ষে হোম সিরিজের পরেই বিশ্বকাপ মিশনের জন্য ওমানের উদ্দেশে উড়াল দেয় দল।

ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিলিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ। ডিপিএল খেলার পর থেকে এখনো পর্যন্ত আছে টানা খেলার মাঝে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজ বাতিল হওয়ায় কিছুটা সুযোগ মিলেছিল বিশ্রামের, এরপরেই অবশ্য বিশ্বকাপ মিশনে নেমে পড়তে হয়েছে তাদেরকে। কোচিং স্টাফ, ক্রিকেটার সকলের জন্যই তাই কষ্টকর হয়ে পরেছিল খেলা চালিয়ে যাওয়াটা। ক্লান্তির কারণে এবারের বিশ্বকাপে অনুশীলনও কম করেছে বাংলাদেশ দল। টানা বায়োবাবলে থাকার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি ঘিরে ধরেছিল দলের সদস্য, কোচিং স্টাফ সবাইকেই।

বিশ্বকাপ শেষেও দম ফেলার ফুরসত মিলছে না খুব একটা। দেশে এসেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলতে নেমে পড়বে দল। মাঝের এই কয়েকদিনের বিশ্রাম তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে কোচিং স্টাফসহ দলের সকল সদস্যদের জন্য।