ইভ্যালির ৩৬টি অ্যাকাউন্টে ৩৮৯৮ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন

ইভ্যালির ৩৬টি ব্যাংক হিসাবে ৩ হাজার ৮৯৮ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। অপ্রয়োজনে একাধিক একাউন্ট খুলে হওয়া এই লেনদেনকে অস্বাভাবিক বলে হাইকোর্টে জমা দেয়া হয়েছে প্রতিবেদন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদনটি জমা দেয়।

চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে অনলাইন বেচাকেনায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল ইকমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে এর আড়ালে অর্থপাচার, আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করছে গোয়েন্দারা।

প্রতারণার অভিযোগে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। এর প্রেক্ষিতে করা তিন রিটে ইকমার্সের নামে অর্থপাচার, লেনদেনসহ বিস্তারিত তথ্য জানাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আংশিক প্রতিবেদন দিয়েছে এনবিআর ও বাংলাদেশ ব্যাংক।

ইভ্যালি প্রশ্নে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ইকমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হয়েও অ্যাকাউন্ট থেকে শত শত কোটি টাকা নগদ উত্তোলন, যৌক্তিক কারণ ছাড়া এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর ও গ্রাহকের টাকায় চেয়ারম্যানের নামে অন্য প্রতিষ্ঠানের ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

আর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনজীবী হাইকোর্টকে জানান, গেটওয়েতে আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরতে এরই মধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

শুনানি শেষে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এনবিআরকে তিন মাস সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি ২৮ ফেব্রুয়ারি।