উন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দিন: নানক

একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে শেখ হাসিনার অবদান আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ইতোমধ্যে তিনি গণতন্ত্র, স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, দারিদ্র্য বিমোচন, উন্নয়ন এবং দেশে দেশে জাতিতে জাতিতে সৌভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন খেতাব আর সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। মর্যাদাপূর্ণ অসংখ্য পদক, পুরস্কার ও স্বীকৃতির পালক এখন শেখ হাসিনার মুকুটে একের পর এক যুক্ত হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, নিজ এলাকার অবকাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করতে চাইলে নৌকায় ভোট দিন। কারণ নৌকা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নৌকার ছায়াতলে এসে দেশের উন্নয়নের অংশীদার হন। গুজবে কান না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীকের প্রতি আস্থা রাখুন।

আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্কে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোখলেসুর রহমানের সমর্থনে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

নৌকা প্রতীকের বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “যারা সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছেন, অসম্মান করেছেন, আওয়ামীলীগে তাদের দরকার নাই। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখতে পারেনি, তাহলে আগামীতে দলও তাদের প্রতি আস্থা রাখবে না। ভবিষ্যতে দলে তাদের কোন জায়গা হবে না। নৌকা প্রতীকের বিরোধীতা করার চরম মূল্য দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, সারাদেশে যেখানে নৌকার জয়জয়কার, সেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নৌকার ভরাডুবি। সংসদীয় আসনে, উপজেলা, পৌরসভা সবকিছুতেই নৌকার বাইরের লোকজন বিজয়ী হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নৌকার জয়রথ শুরু করুন। নৌকা বিজয়ী হলে জেলা শহরে পাল্টে যাবে উন্নয়নের চিত্র। প্রধানমন্ত্রীকে নৌকার বিজয় উপহার দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করতে উপস্থিত সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, সদর উপজেলার দিয়াড় অঞ্চলের ৭টি ইউনিয়নের সাথে জেলা শহরের সংযোগ করতে প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত হয়ে ‘শেখ হাসিনা সেতু’ উদ্বোধন করেছেন। এমনকি সেতুটি জনগণের কথা ভেবে টোলমুক্ত করা হয়েছে। জেলার মানুষের চিকিৎসার কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল উপহার দিয়েছেন। যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জেলা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সবচেয়ে বড় রাবার ড্যাম প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া কেউ কোন উন্নয়নকাজ করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।