ওজন কমাতে রাতের খাবারে মেনে চলুন এই নিয়ম

বাড়তি ওজন কমানোর জন্য বেশিরভাগ মানুষ সবসময়ই অনেক চিন্তিত থাকেন। কী করলে, কী না কী খেলে ওজন কমবে, কোন কোন খাবার ওজন কমায়, ডায়েট করতে চাইলে কীভাবে করতে হবে- এই সব ভেবে ভেবে ঘন্টার পর ঘণ্টা পার হয়ে যায়। অনেকেই আছেন যারা ওজন কমানোর জন্য রাতের খাবার খান না। কিন্তু আপনি জানেন কী ওজন কমানোর জন্য রাতের বেলার খাবারের গুরুত্ব কতটা বেশি?

দীর্ঘ ৮-১০ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে, তাই বলে রাতের বেলা খাওয়া বাদ দিয়ে ডায়েট করা মোটেও ভালো কোনো বুদ্ধি নয়। রাতের বেলা খাবার না খেয়ে থাকলে লাভের থেকে ক্ষতির পরিমাণই বেশী। ওজন তো কমবেই না বরং স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে এবং সুস্থ থাকতে হলে রাতের খাবার কিন্তু সময়ের মধ্যে খেতে হবে। রাতে না খেয়ে থাকা চলবে না। এতে হজমেও সমস্যা হয় সেই সঙ্গে বাড়ে ওজনও। তাই রাতের খাবার কোনও ভাবেই এড়িয়ে যাবেন না। সময়ে খাবার খান। তাহলে শরীরও থাকবে ভালো।
আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য রইলো এমন কিছু কৌশল রাতের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে যা অনুসরণ করলে ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে।

ছোট প্লেটের ব্যবহার-

রাতের খাবার খাবেন ছোট এবং সমতল প্লেটে। তাহলে খুব বেশি খাবার খেয়ে ফেলার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে।

সেদ্ধ বা কম তেলে খাওয়ার অভ্যাস করুন-

রাতে তেল ছাড়া সেদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন ওজন কমাতে চাইলে। আর যদি সেদ্ধ খাবার একেবারেই ভালো না লাগে, তাহলে খুব অল্প পরিমাণে অলিভ ওয়েল বা নারিকেল তেল দিয়ে খাবার রান্না করুন।

বিকেলের নাস্তা-

হালকা নাস্তা করুন বিকেল বেলায়। এতে ভরা থাকবে পেট এবং অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে রাতে খাওয়ার সময়ে।

দেরিতে না খাওয়া-

রাতের খাবার খেয়ে নিন রাত ৮টার মধ্যে। দেরীতে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাসের কারণে ওজন বাড়ে।

টেবিলে বসে খাওয়া-

চেষ্টা করুন পরিবারের সঙ্গে খাবার টেবিলে বসে খেতে। এই সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না এবং টেলিভিশন দেখবেন না। কারণ, এতে অন্যমনস্ক হয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করার সম্ভাবনা থাকে।

এক গ্লাস পানি-

এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন খেতে বসার আগে। তাহলে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা কমে যাবে।