কার হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর, জানা যাবে কাল

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। আর মাত্র এক দিন পর-ই জানা যাবে কার হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার। আগামীকাল ২৯ নভেম্বর (সোমবার) প্যারিসের চ্যাটেলেটে থিয়েটারে-ই ঘোষণা করা হবে বর্ষসেরা ফুটবলারের নাম। বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে অনেক দেশের লিগ শেষ না হওয়ায় গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর দেওয়া হয়নি।

এক বছর বিরতি দিয়ে ফিরছে ১৯৫৬ সালে শুরু হওয়া এই পুরস্কার। এখন পর্যন্ত সেরা হওয়ার দাবি জানিয়ে রেখেছেন আর্জেন্টিনার কোপা জয়ের নায়ক মেসি, বায়ার্ন মিউনিখের গোল মেশিন রবার্ট লেভানডোভস্কি, চেলসির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের দুই কারিগর জর্জিনিও ও এনগোলো কন্তে। আছেন রিয়ালের বেনজিমা, ডর্টমুন্ডের সুপারস্টার আর্লিং হাল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা আমেরিকা জিতে ব্যালন ডি’অর দৌড়ে এগিয়ে আছেন মেসি।

এদিকে মর্যাদার দিকে ব্যালন ডি’অর এখন যেকোন ফুটবল খেলোয়াড়ের স্বপ্নের পুরস্কার। তাহলে এত মর্যাদা, এত সম্মান, যা পাওয়ার জন্য খেলোয়াড়দের এত পরিশ্রম- তার প্রাইজ মানি কত জানতে নিশ্চয়ই আগ্রহ জাগে। ব্যালন ডি’অর জিতে কত টাকা পান ফুটবলররা- এমন প্রশ্ন মনে উঁকি দিবেই।

তবে, উত্তর শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে। কেননা ব্যালন ডি’অরের প্রাইজ মানি যে মাত্র ৩৫০০ ডলার! ঠিক-ই শুনছেন মাত্র ৩৫০০ ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩ লাখ টাকা। প্রশ্ন আসতে পারে যে, তাহলে কি যারা ব্যালন ডি’অর জিতেন তারা কি শুধু ৩৫০০ ডলারই পেয়ে থাকেন? উত্তরটা হবে না। তাদের আয় আরও অনেক বেশি। ব্যালন ডি’অর জিতলে যা প্রাইজমানি পাবে, তার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্পন্সর, ক্লাবের ব্রান্ড ভ্যালু থেকে বিশাল অংকের টাকা আসে।

বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফেভারিটের তালিকায় আছেন রবার্ট লেওয়ানডস্কি। এক্ষেত্রে, ব্রাজিলিয়ান পোষ্টারবয় নেইমার-ই একটু এগিয়ে। ফরাসি ক্লাব পিএসজির সঙ্গে তাঁর যেভানে চুক্তি হয়েছে ব্যালন ডি’অর জিতলে ২৯ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড মেসি-রোনালদোর চেয়ে তিনগুণ বেশি টাকা পাবেন। পিএসজি হয়ে নেইমার ব্যালন ডি’অর জিতলে তার ভাগে যাবে ৩.৫ মিলিয়ন ডলার। ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে পিএসজির সঙ্গে ব্যালন ডি’অরের জন্য সবচেয়ে বড় চুক্তিটি করলেও প্যারিসের ক্লাবটি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এদিকে ব্যালন ডি’অর জিতে কর্তৃপক্ষ থেকে বিজয়ী ফুটবলার বড় অংকের টাকা না পেলেও ক্লাব থেকেই তাঁকে পুরস্কৃত করা হয়৷ তার সঙ্গে ব্যক্তিগত স্পন্সর থাকলে সোনায় সোহাগা!