খুব কঠিন উইকেট ছিল: রশিদ খান

আফগানিস্তানের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে রশিদ খান অন্যতম। এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজেদের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

নতুন খবর হচ্ছে, উইকেটে ছিল হালকা ঘাসের আচ্ছাদন। এই ধরণের শক্ত উইকেটে পেস বোলাররা শুরুতে সিম মুভমেন্ট পেলেও বল ব্যাটে আসে দারুণভাবে। ব্যাটসম্যানদের জন্যই তাই থাকে বড় রানের ক্ষেত্র। বুধবার রাতে দেখা গেছে সেটাই। আফগানিস্তানের বোলারদের আক্রমণ করে বিশাল রানে চড়ে ভারত পেয়েছে বড় জয়। নিজেদের হতাশার দিনে রশিদ খানও ছিলেন ব্যয়বহুল। এই লেগ স্পিনার বলছেন, উইকেটে স্পিনারদের জন্য তেমন কিছুই ছিল না। তবু মাত্র দুটো বলের এদিক সেদিকে তার এমন খরুচে স্পেল।

আবুধাবির পাটা উইকেটে আগে ব্যাটিং পেয়ে ভারত করে ২১০ রান। রান তাড়ায় ৭ উইকেটে ১৪৪ করে ৬৬ রানে ম্যাচ হারে আফগানিস্তান। ভারতের বড় রানের দিনে দলের সেরা বোলার রশিদ ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে ছিলেন উইকেট শূন্য। রোহিত শর্মা তাকে এক ওভারে মারেন দুই ছয়। একটিতে ফ্লাইটে শুরুতে বিভ্রান্ত হলেও পরে দারুণ দক্ষতায় সামলে নিয়ে গায়ের জোরে সীমানা ছাড়া করেন রোহিত, আরেকটিতে দিয়েছিলেন গুগলি। তা আগেভাগে পড়ে রোহিত উড়ান স্কয়ার লেগ দিয়ে।

ম্যাচ শেষে নিজের খরুচে বোলিং প্রসঙ্গে এই দুটি ছক্কার কথায় ব্যাখ্যা করেন রশিদ, ‘আমার মনে হয় মাত্র দুটি বল পুরো স্পেলের তফাৎ করে দিয়েছে। একটাতে সে খুব ভালো শট খেলেছে, আরেকটা আমি বাজে বল করেছি। ওই দুটো ছক্কা না হলে ইকনোমনি হতো ছয়। আমার মনে হয় ওটাই তফাৎ করেছে। কিন্তু যদি উইকেট দেখেন এটা স্পিনারদের জন্য খুব কঠিন ছিল। খুব বেশি কিছু হচ্ছিল না। খুব একটা স্পিন করছিল না। তারপরও আপনি আপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইবেন। তারা ওপেনিংয়ে খুব ভালো শুরু পেল। যখন ওপেনারাই সেট হয়ে ক্রিজে থাকে স্পিনারদের জন্য তখন কাজটা খুব কঠিন হয়ে যায়।’