চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন তাসকিন

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যেই সিরিজ খুঁইয়েছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠ মিরপুরে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই সিরিজ জয়ী দল আজ হোয়াইটওয়াশের শংকায় ভূগছে। আগে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১২৪ রান। নাঈম ফিফটির কাছাকাছি স্কোর করলেও ব্যাট করেছেন ধীর গতিতে। দুই অংকের স্কোর করা কোনো ব্যাটারের স্ট্রাইক রেট ১০০ এর বেশি নয়। এই পুঁজি নিয়ে টাইগাররা হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে সতর্ক শুরু করেন শেখ নাঈম এবং তিন নম্বর থেকে ওপেনিংয়ে প্রমোশন পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে শাহনেওয়াজ দাহানিকে বাউন্ডারি মারা শান্ত পরের বলেই বোল্ড হয়ে যান। তার সংগ্রহ ৫ বলে ৫ রান। দলীয় ৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তিন নম্বরে নামেন শামীম হোসেন। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি্ও হাঁকান। শাহনেওয়াজের করা ফিরতি ওভারে তার ব্যাট থেকে আসে জোড়া বাউন্ডারি। বিপরীতে নাঈম ছিলেন ধীরগতির।

এই জুটিতে যখন আশার আলো দেখছিল বাংলাদেশ, তখনই ছন্দপতন। পাকিস্তানের কিংবদন্তি লেগ স্পিনার উসমান কাদিরের করা ৮ম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামীম ধরা পড়েন ইফতেখার আহমেদের হাতে। শামীম ফিরেন ২২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২২ রান করে। ৩৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে আসেন আফিফ। ১০ম ওভারে উসমান কাদিরকে বাউন্ডারি মেরে হাত খোলেন নাঈম। এরপর আফিফের থেকেও ছক্কা হজম করেন কাদির। ১০ ওভারে বাংলাদেশ করে ৫২ রান।

১৩তম ওভারে নাঈমের বিপক্ষে লেগ বিফোরের আবেদন আম্পায়ার নাকচ করলে রিভিউ নিয়েও ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। ২১ বলে ২০ রান করা আফিফের বিদায়ে তৃতীয় উইকেটের পতন। ব্যাট হাতে আসেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। ১৭তম ওভারে বাংলাদেশের স্কোর তিন অংক স্পর্শ করে। ১৯ তম ওভারে মোহাম্মদ ওয়াসিমের বলে কট অ্যান্ড বোল্ড হয়ে যান মোহাম্মদ নাঈম। তিনি ৫০ বলে ২ চার ২ ছক্কায় ৪৭ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলেন।

একই ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন বাউন্ডারি মেরে রানের খাতা খোলা সোহান। হারিস রউফের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানায় ধরা পড়েন ১৪ বলে ১৩ রান করা মাহমুদউল্লাহ। শেষ বলে দুই ব্যাটার একপ্রান্তে চলে আসায় রান-আউট হয়ে যান আমিনুল ইসলাম (৩)। শেখ মেহেদি অপরাজিত থাকেন ৩ বলে ১ চারে ৫ রানে। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৪ রান। ২টি করে উইকেট নিয়েছৈন মোহাম্মদ ওয়াসিম আর উসমান কাদির। ১টি করে নিয়েছেন শাহনেওয়াজ আর হারিস রউফ।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বাবর-রিজওয়ান জুটিতে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।
এদিকে, তাসকিনকে গুরুতর ব্যথায় মাঠের বাইরে চলে যাচ্ছেন।