জানুয়ারিতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

বাংলাদেশে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ। যতই অবিশ্বাস্য লাগুক, বেকারত্বের হারের এই পরিসংখ্যানই ব্যবহার করে যেতে হবে। অথচ কোভিড-১৯–এর কারণে অর্থনীতি বিপর্যস্ত।

নতুন খবর হচ্ছে, শুরু হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি। আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় হতে পারে এ পরীক্ষা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, দেশের সব নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ কারণে দ্রুত সময়ে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালককে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে এ নির্দেশনা দেন। জানতে চাইলে ডিপিই-এর মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম রবিবার জানান, এইচএসসি পরীক্ষার পর শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু করতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে।

ডিপিই থেকে জানা গেছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় জানুয়ারির মাঝামাঝি প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। এ সময়কে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে লিখিত পরীক্ষার। ধাপে ধাপে জেলা পর্যায়ে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে ৩২ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক।
যার মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। বাকিগুলো শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে গত দুই বছর শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত থাকায় শূন্যপদের সংখ্যা বেড়েছে। এজন্য বাড়ানো হবে শিক্ষক নিয়োগের সংখ্যা।