জেতা ম্যাচ ডেড বল বিতর্কে না গিয়ে বড় হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে প্রসংশায় ভাসছেন মাহমুদউল্লাহ

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে মাহমুদউল্লাহ অন্যতম। এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার।

নতুন খবর হচ্ছে, শেষ বলের বাউন্ডারিতে ফয়সালা হলো ম্যাচের। তবে ঠিক আগের বলেই ‘ডেড বল’ না হলে ম্যাচ শেষ হতে পারত সেখানেই এবং জয়ী দলের নামও বদলে যেত। ৫ উইকেটে হারার বদলে ১ রানে জিতত বাংলাদেশ। নাটকীয়তার নানা ধাপের পর জিতেছে পাকিস্তানই। তবে সেই সময় ‘ডেড বল’ নিয়ে বিতর্ক করেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। এমন আচরণে বড় হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে প্রসংশায় ভাসছেন টাইগার কাপ্তান।

ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচের শেষ ওভারে। ওভারের প্রথম ৫ বলে রোমাঞ্চের নানা মোড় পেরিয়ে ৩ উইকেট আর একটি ছক্কার পর ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় শেষ বলে।

এরপর সেই ডেলিভারি। জয়ের জন্য তখন পাকিস্তানের প্রয়োজন ২ রান। মাহমুদউল্লাহ বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে বল ছাড়েন উইকেটের বেশ পেছন থেকে। এতেই হয়তো অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন মাত্রই উইকেটে আসা ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নওয়াজ। শেষ মুহূর্তে তিনি বল না খেলে ছেড়ে দেন। বল লাগে স্টাম্পে।

ক্রিকেটে শেষ মুহুর্তে এসে বল ছেড়ে দেয়ার এমন নিয়ম নেই। ব্যাটসম্যান কোন কারণে অস্বস্তি বোধ করলে সেক্ষেত্রে বল ছেড়ে দিতে পারে। অথচ টিভি রিপ্লেতে নওয়াজকে এমনটা দেখায়নি।

যৌক্তিক ভিত্তি থাকলেও আম্পায়ারের কাছে আবেদন করলেও আম্পায়ার ডেড বল দেয়ায় আর কিছুই বলেননি তিনি। সেসময় প্রতিবাদ না করে সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ায় মাহমুদউল্লাহর স্পোর্টসম্যানশিপের দারুণ প্রশংসা করেন ধারাভাষ্যকাররা।