নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীকে বাঁচালেন স্ত্রী

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গীনীকে (স্ত্রী) সৃষ্টি করেছেন; আর (পৃথিবীতে) বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে অগণিত পুরুষ ও নারী।

নতুন খবর হচ্ছে, নূর হোসেন-রুমা দম্পতী। বিয়ে হয়েছে ১৪ বছর আগে। বিয়ের পর থেকেই কোনো না কোনো অসুখ লেগেই থাকতো নূর হোসেনের। চার বছর আগে চিকিৎসক রুমা বেগমকে জানান নূর হোসেনের দুটি কিডনিই নষ্ট। একটি ভালো কিডনি নূর হোসেনের শরীরে প্রতিস্থাপন না করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব না।

এরপর থেকে নূর হোসেনের জন্য কিডনি খোঁজা শুরু করেন রুমা। তবে কোথাও না পেয়ে অবশেষে স্বামীকে বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দেওয়ার সীদ্ধান্ত নেন রুমা।

পাঁচ মাস আগে নূর হোসেনের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়ে। রংপুর মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। রাজধানীর শ‌্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিসেস (সিকেডি) কেন্দ্রে তার চিকিৎসা শুরু হয়। চলতি বছরের ৩১ অক্টোবর রুমার একটি কিডনি নূর হোসের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। এখন তারা দুজনই সুস্থ আছেন।

রুমা বেগম বলেন, ‘অনেক খোঁজা-খুঁজির পর ভেবে চিন্তে আমার স্বামিকে কিডনি দিয়েছি। এতে আমাদের পরিবারও খুশি।’

১৪ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এ দম্পতির বড় ছেলে রিফাত স্থানীয় স্কুলের ৫ম শ্রেণির ছাত্র। ছোট ছেলে সিফাতের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। তাদের বাড়ি লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নে।