সোনিতা নাছরিনের নৌকার বিপরীতে ৭ পুরুষ প্রার্থী!

নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবেই। পরাজয়ের শক্ত ভিত্তিই তৈরী করে দেবে কাঙ্খিত বিজয় অর্জনের প্রেরণা। অনেক প্রার্থী বলে থাকেন ফলাফল মেনে নেওয়ার মানসিকতা আছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।

নতুন খবর হচ্ছে, বগুড়ার ধুনট উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পাওয়া সোনিতা নাছরিন নামে এক প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে লড়ছেন সাত পুরুষ প্রার্থী। উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুজাউদ্দৌলা রিপনের স্ত্রী সেনিতা নাছরিন। তিনিও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

সাত পুরুষ প্রার্থীকে পেছনে ফেলে সোনিতা নাছরিন চমক দেখাতে পারবেন বলে প্রত্যাশা ভোটারদের।

এই ইউনিয়নে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাত চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন, আজাহার আলী পাইকাড়, আলেক উদ্দিন মন্ডল, নবাব আলী মন্ডল, রুহুল আমিন, জহুরুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও শাহদৎ হোসেন।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পুরুষ প্রার্থীদের সাথে পাল্লা দিয়ে সোনিতা নাছরিন নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নানা কৌশল অবলম্বন করে ভোট প্রার্থনা করছেন। ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাসই তার বড় শক্তি।

এদিকে, ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- সমাজে নারীদের বিষয়ে এখনো একটি ধারণা প্রচলিত, সেটা হলো নারীরা সাধারণত দুর্নীতি বা অনিয়ম থেকে দূরে থাকেন। তারা যে প্রতিশ্রুতিগুলো দেন, তা পালনের চেষ্টাও করে। কাজেই একজন নারী প্রার্থীর দুর্নীতিবাজ বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। ফলে নারী প্রার্থীকে দিয়ে সমাজের উন্নয়ন, বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে বলে এলাকার ভোটাররা বিশ্বাস করে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী সোনিতা নাছরিন বলেন, নারী প্রার্থী হিসেবে নারীরা তো আমার পেছনে একাট্টা হয়েছেন, পুরুষ ভোটারদেরও ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশা করছি, আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করব।