হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিলেন লিটন দাস

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে লিটনের ফর্ম নেই, ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে ছিলেন না। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে লিটন এখনও মিডল অর্ডারের ভরসার নাম। মুশফিকের ক্ষেত্রেও একই কথা বলা যায়। মাঠ আর মাঠের বাইরের বিভিন্ন সমালোচনায় যদিও সময়টা ভালো যাচ্ছে না তার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তাই দুজনেরই দরকার ছিল একটা ভালো ইনিংস। ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারানো দলটাকে তো খাঁদের কিনারা থেকে টেনে এনেছেন তারা দুজনই। পঞ্চম উইকেট জুটিতে স্কোরবোর্ডে যোগ করেছেন শত রান।

দুজনে মিলে শাহীন আফ্রিদি-হাসান আলীদের পেস এবং সাজিদ খান-নুমান আলীর স্পিন সামলেছেন শুরু থেকেই। ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে খেলতে থাকেন স্বভাবসুলভ সব দৃষ্টিনন্দন শটস। ৫টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ৯৫ বলে লিটন তুলে নেন ক্যারিয়ারের দশম হাফ সেঞ্চুরি।

সর্বশেষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও লিটন ছিলেন ফর্মে। খেলেছিলেন ৯৫ রানের একটি ইনিংস। আজ যেন সেখান থেকেই শুরু করলেন। মুশফিকও হাফ সেঞ্চুরির দোড়গোড়ায়। ৪২ রান নিয়ে এখনো ব্যাটিং চালিয়ে যাচ্ছেন। তাতে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ১৫১ রান।

মুশফিক-লিটনের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় বাংলাদেশ:

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামের উইকেটে হালকা সবুজ আভার নিচে লুকিয়ে আছে ব্যাটিং স্বর্গ। প্রথম দিনের প্রথম সেশনে বাংলাদেশের ব্যাটাররা সেই গুপ্তধনের খোঁজ এখনো পাননি। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির আগ পর্যন্ত ৬৯ রান তুলতেই সাজঘরে ফিরে গিয়েছেন ৪ জন ব্যাটার।

এই চারজন যে খুব বাজে আউট হয়েছেন এমনটা বলা যায় না। পাকিস্তানী তিন পেসার আর এক স্পিনারের দুর্দান্ত বোলিং উইকেট দিতে বাধ্য করেছে বাংলাদেশী ব্যাটারদের। সাইফ হাসান ১৪ রানে আউট হয়েছেন শাহীন আফ্রিদির ১৪০ কিঃমিঃ এরও বেশি গতির দুর্দান্ত এক বলে।

সাদমান ইসলাম আউট হয়েছেন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। হাসান আলির বলটিও অফ স্ট্যাম্পের বাইরে পড়ে যেভাবে সুইং করে সাদমানের প্যাডে আঘাত হেনেছে তাতে কিছুই করার ছিল না তার। অধিনায়ক মুমিনুল হক সাজিদ খানের অফ স্পিনে উইকেটের পেছনে ক্যাচ আউট হয়েছেন ৬ রান করে।

আর শান্তও ফিরে গেছেন ১৪ রান করে সাজিদেরই দুর্দান্ত এক ক্যাচের শিকার হয়ে। ৪ উইকেট হারানোর পর শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে ব্যাট হাতে লড়ছেন মুশফিকুর রহিম এবং লিটন দাস। মুশফিক ৫ এবং লিটন অপরাজিত আছেন ১১ রানে।