টানা দ্বিতীয় বার চ্যাম্পিয়ন শাহীন আফ্রিদির লাহোর

ফাইনালে মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শাহীন আফ্রিদি তুললেন ঝড়। মাত্র ১৫ বলে ৫ ছক্কা ও ২ চারে অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে। তাতে তার দল লাহোর কালান্দার্স পায় ২০০ রানের পুঁজি। এরপর ৪ ওভারে ৫১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে মুলাতানকে আটকে রাখেন ১৯৯ রানের মধ্যে। তাতে ১ রানের রুদ্ধশ্বাস জয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের শিরোপা ধরে রাখলো লাহোর।

এদিকে বল ও ব্যাট হাতে অনবদ্য পারফর্ম করে ম্যাচসেরা হন শাহীন আফ্রিদি। টুর্নামেন্ট জুড়ে ২২ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরা হন ২০ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি ইনসানউল্লাহ। অবশ্য এটারও দাবিদার ছিলেন শাহীন আফ্রিদি। গতকাল শনিবার রাতের ফাইনালে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে লাহোর আগে ব্যাট করতে নামে। টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা দেখে-শুনে দারুণ খেলেন শুরু থেকেই। কিন্তু রান রেট ছিল কিছুটা মন্থর।

১৪ ওভারে তারা তোলে ১১২ রান। ১৫তম ওভারে সিকান্দার রাজা আউট হওয়ার পর শাহীন আফ্রিদি মাঠে নেমে রানের গতিকে ঝড়ের গতি দেন। তার সঙ্গে জ্বলে ওঠেন আব্দুল্লাহ শফিকও। ষষ্ঠ উইকেটে তারা দুজন মাত্র ২৭ বলে তোলেন ৬৬ রান। ১৮.৪ ওভারের মাথায় দলীয় ১৭৮ রানে আব্দুল্লাহ আউট হন ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৬৫ রান করে। কিন্তু বাকি কাজ সেরে আসেন শাহীন।

তিনি ১৫ বলে ৪৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলীয় সংগ্রহকে ২০০ তে নিয়ে যান। এছাড়া ফখর জামান ৩৯ ও মিরাজ বাইগ ৩০ রান করেন। বল হাতে মুলতানের উসামা মীর ৩ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। ২০১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দারুণ লড়াই করে মুলতানও। শেষ ৩ ওভারে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ছিল ৪১ রান। হাতে ছিল ৬ উইকেট।

১৮তম ওভারে শাহীন আফ্রিদি এসে টিম ডেভিড, আনোয়ার আলী ও উসামা মীরের উইকেট নিয়ে লাগাম টেনে ধরেন। কিন্তু আশা দেখাচ্ছিলেন খুশদীল শাহ। ৯তম ওভারে হারিস রউফকে ২ ছক্কা ও ২ চার মেরে ২২ রান তুলে জয় নাগালে নিয়ে আসেন খুশদীল। তাতে শেষ ওভারে জিততে তাদের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। কিন্তু জামান খানের করা ওভারে তারা ১১ রানের বেশি নিতে পারেনি। তাতে ১ রানের দারুণ জয়ে শিরোপা ধরে রাখে লাহোর।