সাকিবের উপহারের কথা জানেন না মাঠকর্মীরা, পাননি টাকাও

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদের ব্যস্ততার শেষ নেই। আজ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু, এর আগে তাদের শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো। বাউন্ডারি লাইন ঠিক করা, আউটফিল্ড নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও পিচের ক্ষতি হতে না দেওয়া; তাদের ব্যস্ততা অনেক। এর মধ্যেই এক মাঠকর্মীর কাছ থেকে শোনা গেল আফসোসের কথা।

এদিকে ইংল্যান্ড সিরিজের শেষ ওয়ানডে হয়েছে এখানে। মিরপুরে প্রথম দুই ওয়ানডে হেরে এসে চট্টগ্রামে তৃতীয় ওয়ানডে জিতে যায় বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে ৭৫ রান ও ৪ উইকেট নিয়ে দলকে জেতান সাকিব। পুরস্কার হিসেবে টাইগার অব দ্য ম্যাচ ও ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন সাকিব, পান মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড়ের পুরস্কারও।

তখন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, সাকিব তার তিন পুরস্কারের একটি দিয়ে দিয়েছেন মাঠকর্মীদের। অর্থমূল্যে যা প্রায় এক লাখ টাকা। গত ৯ মার্চ চট্টগ্রামে শেষ ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশ। সাধারণত সিরিজ চলাকালীনই চেক দেওয়া হয়। কিন্তু এর প্রায় ১৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও টাকা পাননি বলে জানান জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদের কয়েকজন। এমনকি অর্থ পুরস্কার পাওয়ার ব্যাপারে তাদের কিছু জানানো হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।

এদিকে কয়েকজন মাঠকর্মী নাম প্রকাশ না করে গতকাল রবিবার বলছিলেন, ‘আপনাদের কাছ থেকেই শুনেছি সাকিব আল হাসান আমাদের জন্য টাকা দিয়েছেন। ওই টাকা এখনও আমরা কেউই পাইনি। কবে পাবো তাও কেউ এসে আমাদের বলেনি।’ এ নিয়ে যোগাযোগ করা হয় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবুর সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘সাকিব টাকা দিয়েছে এটা সত্যি। টাকা পাবে, ওটা সময় লাগবে। পুরস্কার যেটা পেয়েছে চেক ঘুরে এ পর্যন্ত আসতে সময় লাগবে, প্রসেসিংয়ের ব্যাপার আছে। ক্যাশ হবে তারপর আমাদের কাছে আসবে। আর ১০-১৫ দিন পর পাবে। বোর্ড থেকে আসবে। আমি এক লাখ টাকার কথা শুনেছি।’

যদিও সাধারণ চেকের ক্ষেত্রে এতদিন সময় লাগার কথা নয়। এক দিনের ভেতরই চেক ক্যাশ হয়ে যায়। সাকিব এর মধ্যে দেশের বাইরেও যাননি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সবগুলো ওয়ানডেতে একাদশেই ছিলেন, তার নেতৃত্বেই সোমবার থেকে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।