ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সেই সোহাগ গ্রেপ্তার দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ মানহানির মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা ফিলিস্তিনের পক্ষে থেকেও ইসরায়েলকে জ্বালানি দিয়ে সাহায্য করছে ব্রাজিল প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে, পুলিশের সামনেই মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা-মা প্রাথমিক শিক্ষকদের এখন থেকে বদলি করবে স্থানীয় প্রশাসন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেন শহীদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ, তালিকায় কততম ভারত ও পাকিস্তান? ডামি নির্বাচনের প্রার্থী থেকে ক্রীড়াঙ্গনের নীতিনির্ধারক, সারওয়াত শুক্লাকে ঘিরে প্রশ্ন

নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থীরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থী। সাদা–কালোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও টানানো হচ্ছে রঙিন ব্যানার। বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিদ্যুতের খুঁটি ও সরকারি স্থাপনাতেও লাগানো হচ্ছে প্রচার সামগ্রী। বিশ্লেষকদের মতে, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বহীনতাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এদিকে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। তাই প্রচারণায় সরগরম সারাদেশ। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে আচরণবিধি ভাঙার প্রতিযোগিতাও। এই যেমন, ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাদা–কালোর পরিবর্তে রঙিন ব্যানার টাঙিয়েছেন। বিদ্যুতের খুঁটিতে ফেস্টুন লাগানো নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছে না।

একই চিত্র দেখা যাচ্ছে ঢাকা–১০ আসনেও। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও কলম প্রতীকের প্রার্থীরা বিভিন্ন স্থানে সরকারি স্থাপনাতে প্রচার সামগ্রী লাগিয়েছেন। ঢাকা–১২ ও ১৩ আসনসহ রাজধানীর প্রায় সবগুলো আসনেই কোনো না কোনোভাবে ভাঙা হচ্ছে আচরণবিধি। তবে প্রার্থীদের দাবি, পোস্টারবিহীন নির্বাচনে প্রচারণা চালানো কঠিন। এ ছাড়া তারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই অনেকেই আইন মানছেন না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনের শিথিলতাকেও দায়ী করেন।

তবে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দাবি করেন, অনিয়ম চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি বলবো না শতভাগ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। তবে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে।” ভোটের প্রচারণাতেই যারা আচরণবিধি ভাঙছেন, নির্বাচিত হলে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা ভূমিকা রাখতে পারবেন—তা নিয়ে সংশয় ভোটারদের।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সেই সোহাগ গ্রেপ্তার

নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থীরা

আপডেট সময় ১১:২২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচনি প্রচারণায় আচরণবিধি মানছেন না অনেক প্রার্থী। সাদা–কালোর বাধ্যবাধকতা থাকলেও টানানো হচ্ছে রঙিন ব্যানার। বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিদ্যুতের খুঁটি ও সরকারি স্থাপনাতেও লাগানো হচ্ছে প্রচার সামগ্রী। বিশ্লেষকদের মতে, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বহীনতাও প্রশ্নের মুখে পড়ছে।

এদিকে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। তাই প্রচারণায় সরগরম সারাদেশ। তবে এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে আচরণবিধি ভাঙার প্রতিযোগিতাও। এই যেমন, ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও এনসিপির প্রার্থী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাদা–কালোর পরিবর্তে রঙিন ব্যানার টাঙিয়েছেন। বিদ্যুতের খুঁটিতে ফেস্টুন লাগানো নিষিদ্ধ হলেও তা মানা হচ্ছে না।

একই চিত্র দেখা যাচ্ছে ঢাকা–১০ আসনেও। ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও কলম প্রতীকের প্রার্থীরা বিভিন্ন স্থানে সরকারি স্থাপনাতে প্রচার সামগ্রী লাগিয়েছেন। ঢাকা–১২ ও ১৩ আসনসহ রাজধানীর প্রায় সবগুলো আসনেই কোনো না কোনোভাবে ভাঙা হচ্ছে আচরণবিধি। তবে প্রার্থীদের দাবি, পোস্টারবিহীন নির্বাচনে প্রচারণা চালানো কঠিন। এ ছাড়া তারা একে অপরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।

এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, পেশিশক্তির রাজনীতির কারণেই অনেকেই আইন মানছেন না। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচন কমিশনের শিথিলতাকেও দায়ী করেন।

তবে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার দাবি করেন, অনিয়ম চোখে পড়লেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি বলবো না শতভাগ আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে। তবে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো পরিবেশ বিরাজ করছে।” ভোটের প্রচারণাতেই যারা আচরণবিধি ভাঙছেন, নির্বাচিত হলে তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কতটা ভূমিকা রাখতে পারবেন—তা নিয়ে সংশয় ভোটারদের।