এবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সামরিক চুক্তি সই হলেও তা দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শনিবার (২৩ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট (জিসোমিয়া) এবং অ্যাকুইজিশন অ্যান্ড ক্রস সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট (আকসা) চুক্তি কবে সই হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নয়, সামরিক বাহিনীরও। এতে একাধিক স্টেকহোল্ডার জড়িত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে সামরিক চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত চার ধরনের সামরিক চুক্তি করে থাকে, যার সূচনা হয় জিসোমিয়া চুক্তির মাধ্যমে। জিসোমিয়া মূলত সামরিক গোপন তথ্য আদান–প্রদান ও সেসব তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষাসংক্রান্ত চুক্তি। দ্বিতীয় চুক্তি আকসা, যা মূলত অস্ত্র বিক্রয় ও সামরিক সরঞ্জাম সহায়তাসংক্রান্ত।
তৃতীয় চুক্তি ‘সিজমোয়া’, যার মাধ্যমে যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও সামরিক সহযোগিতা বিনিময়ের বিষয়টি নির্ধারিত হয়। আর চতুর্থ চুক্তি ‘বেকা’, যা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন শনাক্তকরণসহ স্পর্শকাতর সামরিক তথ্য আদান–প্রদানের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জিসোমিয়া এবং আকসা চুক্তি সইয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























