ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রী পাচ্ছেন আইনজীবী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ এই মামলা লড়বেন।

 

রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

 

আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১৩৯০/২০২৬ (পল্লবী থানার মামলা নম্বর ৩৫, তারিখ: ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ধারা: ২০১/৩৪, পেনাল কোড হতে উদ্ভূত) আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে নিয়োগ দেওয়া হলো।

 

অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে জানিয়ে আইনজীবী বিধি মোতাবেক ভাতাদি পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৩ মে) আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে রামিসা হত্যা মামলায় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮-এর সেকশন ৪৯২-এর বিধান মতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার মামলা নম্বর ৩৫, তারিখ ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোড রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

 

তবে শুক্রবার (২২ মে) রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানার পক্ষে আদালতে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা।

 

সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া বলেছিলেন, ‘ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এমন নৃশংস হত্যাকারীর পক্ষে আমরা মামলা পরিচালনা করতে চাই না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অপরাধীদের কাছে বার্তা পৌঁছাবে যে তাদের কোনোভাবেই পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রামিসা হত্যা : সোহেল ও তার স্ত্রী পাচ্ছেন আইনজীবী

আপডেট সময় ০১:৪৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছে সরকার। ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহ এই মামলা লড়বেন।

 

রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

 

আদেশে বলা হয়, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রামিসা হত্যা মামলায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা নম্বর-১৩৯০/২০২৬ (পল্লবী থানার মামলা নম্বর ৩৫, তারিখ: ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ধারা: ২০১/৩৪, পেনাল কোড হতে উদ্ভূত) আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে নিয়োগ দেওয়া হলো।

 

অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে জানিয়ে আইনজীবী বিধি মোতাবেক ভাতাদি পাবেন বলেও জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২৩ মে) আইন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে রামিসা হত্যা মামলায় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮-এর সেকশন ৪৯২-এর বিধান মতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন পল্লবী থানার মামলা নম্বর ৩৫, তারিখ ২০/০৫/২০২৬ খ্রি. ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২)/৩০ তৎসহ ২০১ পেনাল কোড রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনার জন্য আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তার নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

 

তবে শুক্রবার (২২ মে) রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামি সোহেল রানার পক্ষে আদালতে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা।

 

সংগঠনটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া বলেছিলেন, ‘ঢাকা বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এমন নৃশংস হত্যাকারীর পক্ষে আমরা মামলা পরিচালনা করতে চাই না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অপরাধীদের কাছে বার্তা পৌঁছাবে যে তাদের কোনোভাবেই পার পাওয়ার সুযোগ নেই।’