ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী মোদিকে দেখেই মেলোনির হাস্যরস, ‘আমরাই সবচেয়ে বিখ্যাত কাপল’ জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী ইরানের খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তাদের ড্রেসিংরুমে যান ফিফা প্রধান জুলাইয়ের এক তারিখ থেকে পুরোদমে শুরু ফ্যামিলি-কৃষক-ইমাম কার্ড কর্মসূচি: আইনমন্ত্রী মেসির গোল উৎসব বাংলাদেশে, শিরোনাম হলো আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে গন্তব্যে আর ফেরা হলো না, মহাসড়কেই আছড়ে পড়ল বিমান…. ভয়াবহ ফাউল, তবু শাস্তি নয়—মেসিকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় তুমুল বিতর্ক দীঘিতে নেমে তর্ক, বন্ধুকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ ‘ইরানে ভিয়েতনামের চেয়েও বড় পরাজয় যুক্তরাষ্ট্রের’

নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মাগুরায় সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে মাগুরা শহরতলীর নিশ্চিন্তপুর স্কুল মাঠে রীতিমতো বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও আনন্দ মিছিলের মাধ্যমে অসংখ্য ভক্তসমর্থকদের নিয়ে এই পতাকা প্রদর্শন করা হয়। ব্যতিক্রমী এই পতাকা প্রদর্শনী দেখতে কুষ্টিয়া, বরিশাল, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জার্মান ফুটবল দলের সমর্থক এবং স্থানীয় কয়েক হাজার উৎসুক নারীপুরুষ মাঠে ভিড় জমান।

জানা গেছে, মাগুরা পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোড়ামারা গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন এই সুবিশাল পতাকাটি তৈরি করেছেন। এর আগে ২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে তিনি প্রথম ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জার্মান পতাকা তৈরি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা তৈরি করতে নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করেছেন তিনি।

জার্মানির প্রতি এমন অন্ধ ভালোবাসার কারণ জানতে চাইলে আমজাদ হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আমি একটি দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলাম। সে সময় জার্মানির তৈরি ওষুধ সেবন করে আমি সম্পূর্ণ রোগমুক্তি লাভ করি। সেই কৃতজ্ঞতা ও ভালোলাগা থেকেই আমি জার্মান ফুটবল দলের ভক্ত হই এবং এই পতাকা তৈরি ও প্রদর্শন করে আসছি।

তিনি আরও দাবি করেন, এটিই বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় জার্মান পতাকা। তার মৃত্যুর পর জার্মান সরকার এই পতাকাটিকে তাদের দেশের কোনো জাতীয় জাদুঘরে স্থান দেবেএমনটাই প্রত্যাশা তার। উল্লেখ্য, ফুটবল ও জার্মানির প্রতি আমজাদ হোসেনের এমন অভূতপূর্ব ভালোবাসা দেখে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত তাকেজার্মান ফ্যান ক্লাবর অফিসিয়াল সদস্য পদ প্রদান করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী

নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিমি. দীর্ঘ জার্মান পতাকা বানালেন আমজাদ

আপডেট সময় ০২:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

এবার ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মাগুরায় সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে মাগুরা শহরতলীর নিশ্চিন্তপুর স্কুল মাঠে রীতিমতো বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ও আনন্দ মিছিলের মাধ্যমে অসংখ্য ভক্তসমর্থকদের নিয়ে এই পতাকা প্রদর্শন করা হয়। ব্যতিক্রমী এই পতাকা প্রদর্শনী দেখতে কুষ্টিয়া, বরিশাল, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জার্মান ফুটবল দলের সমর্থক এবং স্থানীয় কয়েক হাজার উৎসুক নারীপুরুষ মাঠে ভিড় জমান।

জানা গেছে, মাগুরা পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোড়ামারা গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন এই সুবিশাল পতাকাটি তৈরি করেছেন। এর আগে ২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে তিনি প্রথম ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জার্মান পতাকা তৈরি করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে সাড়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা তৈরি করতে নিজের ৩০ শতক জমি বিক্রি করেছেন তিনি।

জার্মানির প্রতি এমন অন্ধ ভালোবাসার কারণ জানতে চাইলে আমজাদ হোসেন বলেন, ২০১২ সালে আমি একটি দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলাম। সে সময় জার্মানির তৈরি ওষুধ সেবন করে আমি সম্পূর্ণ রোগমুক্তি লাভ করি। সেই কৃতজ্ঞতা ও ভালোলাগা থেকেই আমি জার্মান ফুটবল দলের ভক্ত হই এবং এই পতাকা তৈরি ও প্রদর্শন করে আসছি।

তিনি আরও দাবি করেন, এটিই বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় জার্মান পতাকা। তার মৃত্যুর পর জার্মান সরকার এই পতাকাটিকে তাদের দেশের কোনো জাতীয় জাদুঘরে স্থান দেবেএমনটাই প্রত্যাশা তার। উল্লেখ্য, ফুটবল ও জার্মানির প্রতি আমজাদ হোসেনের এমন অভূতপূর্ব ভালোবাসা দেখে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত তাকেজার্মান ফ্যান ক্লাবর অফিসিয়াল সদস্য পদ প্রদান করেছেন।