আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরে পাশ্ববর্তী সীমান্তে মণিরামপুরে ছাগলে পুঁইশাক গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষরা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী এক বৃদ্ধকে দাঁ দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় ওই বৃদ্ধর স্ত্রী আছিয়া বেগম বাদী হয়ে ২ জনের বিরুদ্ধে যশোর বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছে।

এদিকে মামলা তুলে নিতে ওই প্রতিপক্ষরা বৃদ্ধ পরিবারকে বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যেসহ ভয়-ভিতি ও হুমকি দিচ্ছে বলে ওই বৃদ্ধর অভিযোগ। উল্লেখিত, মণিরামপুর উপজেলার কাঠালতলা গ্রামের মৃত চাঁন আলী জমাদারের ছেলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পীর আলী বক্স জমাদার (৬৫) জানান, প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন গাজীর স্ত্রী তাসলিমা বেগমের একটি ছাগল গত শনিবার সকালে আমার বসতবাড়িতে লাগানো পুঁইশাক গাছ খেয়ে ফেলে।

পুঁইশাক গাছ খেয়ে ফেলার প্রতিবাদ করায় তাসলিমা বেগমের সাথে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ইসমাইল হোসেন গাজীর ছেলে মুন্না হোসেন গাজী দেশী দাঁ দিয়ে আমার মাথায় কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এব্যাপারে মুন্না হোসেন গাজীর বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার চেষ্টা করলেও তাকে না পেয়ে তার মা তাসলিমা বেগমের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমার ছাগলে পীর আলী বক্স জমাদারের রোপন করা পুঁইশাক গাছ খায়নি। তাদের বাড়িতে ছাগল যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার আমার বাড়িতে ফিরে আসে। এই নিয়ে তার পরিবারের লোকজন অকথ্য ভাষায় আমাকেসহ আমার ছেলেকে গালি- গালাজ দিতে থাকে।

গালি-গালাজ সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলে মুন্না হোসেন গাজী পীর আলী বক্স জমাদারকে ঠেলা মেরে ফেলে দেয়। তার বসত-বাড়ির খুঁটিতে আঘাত লাগে। কিন্তু তাকে দাঁ দিয়ে কোপ দেওয়া হয়নি। আমার ও আমার ছেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে হয়রানী করে চলেছে ওই বৃদ্ধর পরিবার।