বাদশা আলম, শেরাপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে উদগ্রামে শ্বাশুরীর শানসিক অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ৬ জুলাই শনিবার বিকেলে ঘরের তীরের সাথে রশি পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধু বিপাশা রানী সরকার (২০) আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের বিপ্লব সরকারের মেয়ে বিপাশা রানী সরকারের গত তিন বছর আগে ৩ লাখ টাকা ও একটি ডিসকভার মোটরসাইকেল যৌতুক দিয়ে শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের উদগ্রাম গ্রামের সুনিল চন্দ্র সরকারের ছেলে প্রশান্ত সরকারের সাথে বিয়ে হয়। এর মধ্যে তাদের ঘরে একটি সন্তানো জন্ম নিলেও ছেলের বউ বিপাশাকে পছন্দ না হওয়ায় বিয়ের পর থেকে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল শ^শুর বাড়ির লোকজন। এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গত ৬ জুলাই শনিবার বিকেল ৫টায় নিজ ঘরের তীরের সাথে রশি পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ঘটনায় বিপাশার পিতা বিপ্লব সরকার বাদি হয়ে ওইদিন রাতেই শেরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।