আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: কেশবপুরে এক কৃষকের ফসলীয় জমি ও মৎস্য ঘেরের পাশ দিয়ে স্যালোমেশিনের দ্বারা জোরপূর্বক বালি উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বালি উত্তোলন করার কারণে ওই কৃষকের ফসলী জমি ও ডোবা ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

এঘটনায় জমির মালিক তপন সরকার বাদী হয়ে ১ জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কেশবপুর থানার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পরচক্রা গ্রামের মৃত কালিপদ সরকারের ছেলে তপন সরকারের হাড়িয়াঘোপ ১১৫ নং মৌজায় ৭০ শতক জমি রয়েছে। ওই জমির পূর্ব পাশ দিয়ে তার একটি পুকুর ও দক্ষিণ পাশে মৎস্য ঘের রয়েছে। একই গ্রামের মৃত মানিক মোড়লের ছেলে আতিয়ার রহমান গত ৪ দিন ধরে স্যালোমেশিনের দ্বারা গভীর করে বালি উত্তোলন করার কারণে ফসলী জমি ও ডোবা ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। যার কারণে ফসলীয় জমি, ডোবা জমি ভেঙ্গে অন্য জমিরমধ্যে মিশে যাওয়ার উপক্রম দেখা দেয়। এমন অবস্থায় তপন সরকার রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার জমিতে যেয়ে দেখে তার জমির পাশে বালি উত্তোলনের কাজ চলছে। এসময় তাদের বালি উত্তোলনে নিষেধ করায় আতিয়ারের লোকজন তপনসরকারকে বিভিন্ন ভয়-ভিতি দেখিয়ে জোরপূর্বক বালি উত্তোলনের কাজ অব্যাহত রেখেছে।

এব্যাপারে সরাসরি আতিয়ার রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতি নিয়ে বালি উত্তোলন করা হচ্ছে। এছাড়া বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজেদ হোসেনের সাথে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা চুক্তিবদ্ধ হয়ে বালি উত্তোলনের কাজ করা হচ্ছে। যেখান থেকে বালি উত্তোলনকরা হচ্ছে সেখানে সরকারি খাস জমি রয়েছে।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানূর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।