আবুল হাসনাত, কানাইঘাট (সিলেট) প্রতিনিধিঃ রাজধানীসহ সবখানেই যখন পেয়াঁজের দাম বাড়তেছে। কানাইঘাটে এ প্রতিযোগীতায় নেমেছেন ব্যবসায়ীরাও। প্রতি প্রতি ঘন্টায় ঘন্টায় বাড়ছে পেয়াঁজের মূল্য। ঘন্টার ব্যবধানে ১৬০-২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ। প্রতিদিনের নিত্য প্রয়োজনীয় এই পণ্যটি যেন সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে।

শনিবার (১৬ই নভেম্বর) কানাইঘাটের বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি দামে তুরস্ক পেয়াঁজ ১৭০-২০০টাকা, এলসি পেয়াঁজ ১৫০-৬০টাকা ধরে বিক্রি করা হচ্ছে। খুচরা দামে ১৮০-২২০টাকা পর্যন্ত কোন কোন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। পণ্যর মধ্যে নির্দিষ্ট কোন দাম নির্ধারিত না থাকায় ব্যবসায়ীরা চড়া দামে বিক্রি করতেছেন। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার সকালে প্রতি কেজি পিয়াঁজ ১২০- ১৫০টাকা দরে বিক্রি হতে গেলেও ২৪ঘন্টা পেরোতেই পিয়াঁজের দাম ডাবল সেঞ্চুরি করে।

অভিযোগ রয়েছে, বাজার মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দরে পিয়াঁজ বিক্রি করছেন। এমন পরিস্থিতিতে গরিব অসহায় মানুষেরা পিয়াঁজ খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন। পাইকারি দরের দোকানের তালিকা দেখলে দেখা যায়, বার্মা পেয়াঁজ ১৩০টাকা, তুরস্ক ১২৫টাকা, এলসি ১৪০টাকা দরে বিক্রি হয়। কোন কোন প্রতিষ্ঠানের পাইকারী খাতায় পেয়াঁজের দাম লেখা নেই। অনেক ব্যবসায়ীরা পাইকারি দোকানগুলোতে দর বাড়ার কারনে তারাও দর বৃদ্ধি করছেন বলে জানান।

স্থানীয় বাবুল আহমদ, শফিক, আজমল সহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান, পিয়াঁজ ক্রয়ের ক্ষমতা না থাকায় ক্রয় করা ছেড়ে দিয়েছি। প্রতিদিন যা রোজগার করি তার অর্ধেক টাকা চলে যায় পেয়াঁজ ক্রয় করতে। বাজার মনিটরিংয়ের ব্যাপারে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বারিউল করিম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, পেয়াঁজের বাজারদর কিছু উর্ধ্বগতি রয়েছে।

কানাইঘাটে যেকোন দোকানে অতিরিক্ত দামে পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগ পেলে সঠিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।