আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবি কেশবপুরের কৃতি সন্তান হুসাইন মোহাম্মদ ইসলামের হাতের ছোয়াই বদলে গেছে “কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজ ও কলেজ সড়কের চেহেরা। ৪ তলা বিশিষ্ট কলেজের নতুন ভবনের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত গতিতে চলছে সড়ক পাকা করনের কাজ। জানা গেছে, ১৯৮৭ সালে কেশবপুর উপজেলার সরসকাটি গ্রামের মরহুম এরশাদ আলী গাজী কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজটি স্থাপিত করেন।

কপোতাক্ষ নদ তীরবর্তি হওয়ায় কলেজটির নামকরন করা হয়েছে কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজ। বর্তমানে উক্ত কলেজে প্রায় ৫০০ ছাত্র-ছাত্রী ও ৫০ জন শিক্ষক -কর্মচারী রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কেশবপুরের সীমান্তবর্তি ও লেখা-পড়ার মান ভাল হওয়ায় আশপাশের গ্রাম ছাড়াও কলারোয়া, তালা ও পাটকেলঘাটা থানার অনেক গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা এই কলেজে পড়া-লেখা করে। দীর্ঘদিন ধরে অত্র কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যপ্ত পরিমান ক্লাসরুম না থাকা ও বর্ষা মৌসুমে রাস্তায় কাঁদা হওয়ায় শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও লেখা-পড়ায় চরম দূর্ভোগের শিকার হলেও এ্যাড. হুসাইন মোহাম্মদ ইসলাম উক্ত কলেজের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রুত সময়ের মধ্যে সেই দুর্ভোগ লাঘব করতে সক্ষম হয়েছে।

কেশবপুরের কৃতি সন্তান ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি আওয়ামীলীগের অন্যতম নেতা ২০-০৯-২০১৫ সালে কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজের সভাপতি নির্বাচিত হন। সভাপতি হওয়ার পর অত্র কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী,শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকাবাসীদের ডেকে তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা শোনেন এবং তাদের দাবী নতুন ভবন ও পাকা রাস্তা করনের দাবির প্রতি পূর্নসমর্থন জ্ঞাপন করে সেটি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। সরকারী উপর মহলে ভালো যোগাযোগ ও গ্রহনযোগ্যতা থাকায় তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিনের দাবি পুরন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকার কলেজের নতুন ভবন নির্মান ও সড়ক পাকা করনের জন্য ৩ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ দেন।

গত ২০১৮ সালের প্রথম দিকে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবনের কাজ শুরু হয়। চলতি বছরের নভেম্বরের প্রথম দিকে ভবন নির্মান কাজ সমাপ্ত হয়েছে।এদিকে ভবন নির্মানের কাজ শেষ হতে না হতে শুরু হয়েছে কলেজের রাস্তার কাজ। সরসকাটি বাজারের কলেজ গেট থেকে শুরু করে রঘুরামপুর ভায়া মঙ্গলকোট সড়কের প্রায় ১১শ মিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করনের কাজ শুরু হয়েছে।

১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই রাস্তা পাকারনের কাজ শেষ হলে শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর যাতায়াতের ক্ষেত্রে আর কোন দুর্ভোগ থাকবেনা।কলেজ ও রাস্তার ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন ও অভিভাবকদের সাথে কথা হলে তরা কলেজের সভাপতি এ্যাড.হুসাইন মোঃ ইসলামের ভুয়োশী প্রশংসা করে বলেন, তিনি একজন অত্যান্ত মেধাবী ও বিচক্ষন ব্যক্তি। তার বুদ্ধিমত্তা,ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও বিচক্ষনতায় কলেজের লেখাপড়ার মান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শৃংখলা ও ভাবমূর্তি উজ্জল হয়েছে। কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সভাপতির কোন বিকল্প নেই।

কপোতাক্ষ সম্মিলনী ডিগ্রী কলেজ গভার্ণিংবডির সভাপতি এ্যাড. হুসাইন মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে পূর্বের ন্যায় ভবিষ্যতেও নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি। অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন, ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় ক্লাসরুম স্বল্পতার কারনে দীর্ঘদিন ধরে কলেজে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছিল।

সভাপতির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কলেজের নতুন ভবন হওয়াতে দীর্ঘদিনের সেই সমস্য লাঘব হয়েছে।