বাড়ি আন্তর্জাতিক সীমান্তে হামলায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বিএসএফ সদস্য

সীমান্তে হামলায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে বিএসএফ সদস্য

বুধবার ভোররাতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে গরু চোরকারবারীদের হামলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের একজন জওয়ানের ডান হাতের কব্জি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর অবস্থা বেশ গুরুতর।

এ ব্যাপারে ভারতের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহত সদস্য বিএসএফের ৬৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ান আনিসুর রহমান। গরু পাচারে বাধা দেওয়ায় এ হামলা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় বনগাঁ-র একটি সরকারি হাসপাতালে।

এরপর সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।

এ ব্যাপারে বিএসএফ জানায়, গত ১১ জুলাই ২০১৯ ভোররাত ৩টা ৩০ মিনিটে ২৫-৩০ জনের একদল গরু চোরাকারবারী দেশীয় বোমা, দা, হাসুয়া, লাঠি ও টর্চ নিয়ে পুটখালী ২১ বিজিবি বিওপির (যশোরের বেনাপোল) বিপরীতে অবস্থিত বিওপি আংরাইলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দলের ওপর হামলা চালায়। বিএসএফ টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করলেও তারা বাংলাদেশের দিকে এগোতে থাকে।

এ সময় জীবনের ঝুঁকি টের পেয়ে বিএসএফ কনস্টেবল আনিসুর রহমান ‘পাম্প অ্যাকশন গান’ (প্রাণঘাতী নয়) দিয়ে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। কিন্তু চোরাকারবারীরা তার উপর দেশীয় বোমা দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় কনস্টেবলের ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক।

এদিকে বিএসএফের দাবি, তাদের প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহারের নীতির সুযোগ নিচ্ছে চোরাকারবারীরা এবং যার ফলে সীমান্তে নিয়োজিত বিএসএফ সদস্যরা গুরুতর হামলার শিকার হচ্ছে।

এদিকে ভারতের গণমাধ্যমে এই হামলার খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, চোরাকারবারীদের হাসলার ঘটনায় বিএসএফ জওয়ানদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।