ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন পাগলা মসজিদে ৩ ঘণ্টায় মিলল ১০ কোটি টাকা, এখনো চলছে গণনা বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্স! আয়োজকরা চায় আমরা বাদ পড়ি: ইরানের অধিনায়ক নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল ‘কাশ্মিরি’ পরিবার ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা বাজেট নিয়ে এবার ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি : জয়নুল আবদীন চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

মবের জননী রিজওয়ানা: আনিস আলমগীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে মবের জননী বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেলকথা’-এর টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আগেমবের জনকহিসেবে ড. ইউনূসের নাম শোনা গেলেও এখনমবের জননীহিসেবেও একজনকে পাওয়া গেছে।

আনিস আলমগীর দাবি করেন, রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ রক্ষায় কাজ করলেও ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ সামনে আসছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় থাকার সময় এসব বিষয় প্রকাশ পায় না, তবে পরে বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে আসে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকার সময় ব্যবসা দখলসহ নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রিজওয়ানা ক্ষমতা পাওয়ার পর তা অপব্যবহার করেছেন। এমনকি ক্ষমতায় আসার আগেও এনজিও কার্যক্রমের আড়ালে ভূমিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অনিয়ম করেছেন। কোনো প্রকল্পে অর্থ না পেলে তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আনিস আলমগীর বলেন, এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, সরকার অতীত নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকলেও সাম্প্রতিক অভিযোগগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে না।

গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জীবদ্দশায় নিজ দেশে চিকিৎসা নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, যা অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি অনুসরণ করেননি। এ ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ড নিয়েও সমালোচনা করেন আনিস আলমগীর। তার অভিযোগ, মব সৃষ্টি করে ট্রাস্টিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় রিজওয়ানা হাসানের সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে এসেছে। গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং অভিযোগগুলোর তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ দেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছিলো: রাশেদ খাঁন

মবের জননী রিজওয়ানা: আনিস আলমগীর

আপডেট সময় ১২:১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

এবার সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে মবের জননী বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেলকথা’-এর টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, আগেমবের জনকহিসেবে ড. ইউনূসের নাম শোনা গেলেও এখনমবের জননীহিসেবেও একজনকে পাওয়া গেছে।

আনিস আলমগীর দাবি করেন, রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ রক্ষায় কাজ করলেও ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগ সামনে আসছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় থাকার সময় এসব বিষয় প্রকাশ পায় না, তবে পরে বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে আসে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকার সময় ব্যবসা দখলসহ নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, রিজওয়ানা ক্ষমতা পাওয়ার পর তা অপব্যবহার করেছেন। এমনকি ক্ষমতায় আসার আগেও এনজিও কার্যক্রমের আড়ালে ভূমিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অনিয়ম করেছেন। কোনো প্রকল্পে অর্থ না পেলে তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। আনিস আলমগীর বলেন, এসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার দাবি, সরকার অতীত নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকলেও সাম্প্রতিক অভিযোগগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে না।

গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জীবদ্দশায় নিজ দেশে চিকিৎসা নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, যা অনেক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি অনুসরণ করেননি। এ ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ড নিয়েও সমালোচনা করেন আনিস আলমগীর। তার অভিযোগ, মব সৃষ্টি করে ট্রাস্টিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় রিজওয়ানা হাসানের সম্পৃক্ততার কথাও বিভিন্ন মাধ্যমে উঠে এসেছে। গণ স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং অভিযোগগুলোর তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।