ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের মাগুরা থেকেই নির্বাচন করতে চান সাকিব! নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি, ভাঙচুর ঋণখেলাপি: হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী গ্রেপ্তারের তিনদিনে বিচার শেষ, আজ হবে সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব: সালাহউদ্দিন আহমদ ইরানে বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তারদের দ্রুত বিচারের অঙ্গীকার প্রধান বিচারপতির তুরস্কের সামরিক শক্তি-সৌদির অর্থ-পাকিস্তানের পারমাণবিক মিলিয়ে আসছে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই: মির্জা আব্বাস সাহস থাকলে আইনের মুখোমুখি হক, বিদেশ থেকে হুমকির কোনো ভ্যালু নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ আ. লীগ নেতার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

 

যশোরের কেশবপুরে জেলা পরিষদের ও ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করে দোকান ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সালাম খান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আরো নতুন করে ১৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজ।

কেশবপুর এসি (ল্যান্ড) অফিসের পেশকার ওহেদুজ্জামান বলেন, কেশবপুর পৌর শহরের মধ্যকুল গ্রামের মৃত রজবালী খার ছেলে পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুস সালাম খান ওই এলাকায় যশোর-সাতক্ষীরা সড়ক সংলগ্ন জেলা পরিষদের জায়গা এবং ওয়াকফ এস্টেডের জমি জবরদখল করে সেখানে ১২টি পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে বরাদ্দ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ১০টি দোকান ঘরের নির্মাণকাজ শেষ করে এক একটি ঘরের জন্য তিন লাখ টাকা করে ৩০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে মোটর গ্যারেজ ও পার্সের দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে এসব দোকানের উত্তর পাশে একইভাবে জায়গা দখল করে আরো নতুন করে ছয়টি দোকান তৈরি করছেন। এ ছয়টি দোকান ভাড়া দিতে তিনি আরো ১৮ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছেন বলে জানা যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার এ খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ দোকান নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেন।

সূত্র জানায়, জেলার ওয়াকফ জমি দেখভালের দায়িত্ব যশোর জেলা প্রশাসকের। তিনি এ এস্টেটের সভাপতি এবং ওই কমিটির সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এসব মূল্যবান সম্পত্তি ঠিকমতো দেখভাল না করায় তা দিনদিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। মধ্যকুল খানপাড়া জামে মসজিদটি এলাকার লোকজনের দানের ওপর পরিচালিত হয়। ওইসব সম্পত্তির আয় সালাম গংরা ভোগ করে। এলাকার মুসল্লিরা মসজিদের মূল্যবান (ওয়াকফ) সম্পত্তি উদ্ধার করে সরকারি হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ নেওয়াজ বলেন, সালাম খান ও আসলাম খান জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ এস্টেটের বহু সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে তারা সেখানে দোকান বরাদ্দ দিয়ে আসছে। এ খবর পেয়ে নতুন করে নির্মাণাধীন ছয়টি দোকান ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকের পরবর্তী নির্দেশক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহ-১০ আসনে বৈধতা ফিরল স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের

সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ আ. লীগ নেতার

আপডেট সময় ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

 

যশোরের কেশবপুরে জেলা পরিষদের ও ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করে দোকান ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সালাম খান। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আরো নতুন করে ১৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শরীফ নেওয়াজ।

কেশবপুর এসি (ল্যান্ড) অফিসের পেশকার ওহেদুজ্জামান বলেন, কেশবপুর পৌর শহরের মধ্যকুল গ্রামের মৃত রজবালী খার ছেলে পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুস সালাম খান ওই এলাকায় যশোর-সাতক্ষীরা সড়ক সংলগ্ন জেলা পরিষদের জায়গা এবং ওয়াকফ এস্টেডের জমি জবরদখল করে সেখানে ১২টি পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে বরাদ্দ দিচ্ছেন। ইতোমধ্যে ১০টি দোকান ঘরের নির্মাণকাজ শেষ করে এক একটি ঘরের জন্য তিন লাখ টাকা করে ৩০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে মোটর গ্যারেজ ও পার্সের দোকান ভাড়া দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে এসব দোকানের উত্তর পাশে একইভাবে জায়গা দখল করে আরো নতুন করে ছয়টি দোকান তৈরি করছেন। এ ছয়টি দোকান ভাড়া দিতে তিনি আরো ১৮ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়েছেন বলে জানা যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার এ খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ দোকান নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেন।

সূত্র জানায়, জেলার ওয়াকফ জমি দেখভালের দায়িত্ব যশোর জেলা প্রশাসকের। তিনি এ এস্টেটের সভাপতি এবং ওই কমিটির সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কিন্তু জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে এসব মূল্যবান সম্পত্তি ঠিকমতো দেখভাল না করায় তা দিনদিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। মধ্যকুল খানপাড়া জামে মসজিদটি এলাকার লোকজনের দানের ওপর পরিচালিত হয়। ওইসব সম্পত্তির আয় সালাম গংরা ভোগ করে। এলাকার মুসল্লিরা মসজিদের মূল্যবান (ওয়াকফ) সম্পত্তি উদ্ধার করে সরকারি হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ নেওয়াজ বলেন, সালাম খান ও আসলাম খান জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ এস্টেটের বহু সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে দখল করে তারা সেখানে দোকান বরাদ্দ দিয়ে আসছে। এ খবর পেয়ে নতুন করে নির্মাণাধীন ছয়টি দোকান ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসকের পরবর্তী নির্দেশক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।