ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোদির মন্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভের ডাক ২৫ মার্চের আগে মুজিব বাহিনী গণহত্যা চালিয়েছিল: চট্টগ্রাম জামায়াত আমির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর বিজয় দিবসের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর পোড়াল দুর্বৃত্তরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচিত ইতিহাসের ৯০ শতাংশই কল্পকাহিনী: আমির হামজা বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ ছাত্রদল নেতা আটক একাত্তর ও চব্বিশের দালালদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি: নাহিদ চাকসু ভিপিকে মারতে তেড়ে আসলেন ছাত্রদল সভাপতি ফয়সাল আমার কাছে অনেক রাতে আসতেন, সকালে চলে যেতেন: রিমান্ডে স্ত্রী সামিয়া চব্বিশের আন্দোলনকারীরাও মুক্তিযোদ্ধা: উপদেষ্টা শারমীন

১৬ ডিসেম্বর আ. লীগের মুক্তি হয়েছে, জাতির মুক্তি হয়েছে ৭ নভেম্বর: রিজভী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এ জাতি নতুন করে স্বাধীনতার মুখ দেখেছে। ১৬ ডিসেম্বরের স্বাধীনতায় জাতির মুক্তি হয়নি, সেখানে আওয়ামী লীগের মুক্তি হয়েছে। আর জাতির মুক্তি হয়েছে ৭ নভেম্বর।’

 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বটতলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাবি শাখার আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

রিজভী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর যারা সরকার গঠন করলেন, তারা নিজেদের ছাড়া আর কাউকে জাতি মনে করতেন না। তারা নিজেদের ছাড়া আর কারো অধিকার নিয়ে কাজ করেননি। তারা সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে দিলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করে নিলেন, এক ঘোর অন্ধকারের মধ্যে সবাইকে নিয়ে গেলেন।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট যারা ক্ষমতায় আসলো, তারা শেখ মুজিবেরই একটি অংশ। এই পাল্টা-পাল্টির মধ্যেই জনগণ তার মুক্তির দিশারি হিসেবে ৭ নভেম্বরে একজন মানুষ পেলেন। তিনি ৭১-এর মতো ৭ নভেম্বরেও জাতির দিশারি হিসেবে কাজ করেছেন।’

 

বিএনপির এই প্রবীন নেতা বলেন, ‘বাহাত্তর সালে যারা ক্ষমতায় নিলেন, তারা আমাদের আত্মপরিচয় নিয়েও সংকট তৈরি করেছিলেন। তারা যে জাতীয়তার কথা বলেন, সেটি বিতর্কিত জাতীয়তা। একটি আঞ্চলিক পরিধিতে এটি গণ্য হতে পারে না।’

 

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, ‘তারা নিজেদের কথা বলার অধিকার ছাড়া আর কারো কথা বলাকে একদমই পছন্দ করতো না। তবুও তারা নির্ভয় হতে পারেনি। সব দল বন্ধ করে দিল, সংবাদপত্র, লেখার, পড়ার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বন্ধ করে দিল। এরপর ঘটলো চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের পালাবদল।’

 

 

অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদন নাসির উদ্দিন নাসির ও ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মোদির মন্তব্যে উত্তাল বাংলাদেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ ও বিক্ষোভের ডাক

১৬ ডিসেম্বর আ. লীগের মুক্তি হয়েছে, জাতির মুক্তি হয়েছে ৭ নভেম্বর: রিজভী

আপডেট সময় ১২:০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর এ জাতি নতুন করে স্বাধীনতার মুখ দেখেছে। ১৬ ডিসেম্বরের স্বাধীনতায় জাতির মুক্তি হয়নি, সেখানে আওয়ামী লীগের মুক্তি হয়েছে। আর জাতির মুক্তি হয়েছে ৭ নভেম্বর।’

 

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বটতলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাবি শাখার আয়োজিত ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এর আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

 

 

রিজভী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর যারা সরকার গঠন করলেন, তারা নিজেদের ছাড়া আর কাউকে জাতি মনে করতেন না। তারা নিজেদের ছাড়া আর কারো অধিকার নিয়ে কাজ করেননি। তারা সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে দিলেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করে নিলেন, এক ঘোর অন্ধকারের মধ্যে সবাইকে নিয়ে গেলেন।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘৭৫-এর ১৫ আগস্ট যারা ক্ষমতায় আসলো, তারা শেখ মুজিবেরই একটি অংশ। এই পাল্টা-পাল্টির মধ্যেই জনগণ তার মুক্তির দিশারি হিসেবে ৭ নভেম্বরে একজন মানুষ পেলেন। তিনি ৭১-এর মতো ৭ নভেম্বরেও জাতির দিশারি হিসেবে কাজ করেছেন।’

 

বিএনপির এই প্রবীন নেতা বলেন, ‘বাহাত্তর সালে যারা ক্ষমতায় নিলেন, তারা আমাদের আত্মপরিচয় নিয়েও সংকট তৈরি করেছিলেন। তারা যে জাতীয়তার কথা বলেন, সেটি বিতর্কিত জাতীয়তা। একটি আঞ্চলিক পরিধিতে এটি গণ্য হতে পারে না।’

 

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, ‘তারা নিজেদের কথা বলার অধিকার ছাড়া আর কারো কথা বলাকে একদমই পছন্দ করতো না। তবুও তারা নির্ভয় হতে পারেনি। সব দল বন্ধ করে দিল, সংবাদপত্র, লেখার, পড়ার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বন্ধ করে দিল। এরপর ঘটলো চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের পালাবদল।’

 

 

অনুষ্ঠানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদন নাসির উদ্দিন নাসির ও ঢাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহসসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।