ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত, এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর যে ইরান যুদ্ধখুব শিগগিরইশেষ হবে, এ খবরের প্রভাবেই মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল বাব্রেন্ট ক্রুড অয়েল’-এর দাম প্রায় ৮.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে দামের এই পতনের পরও চলমান সংঘাত শুরুর আগে তুলনায় তেলের দাম এখনও প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, দামের হ্রাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সোমবার (৯ মার্চ) তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধখুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।

তেলের দামের পতনের কারণে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক প্রায় ২.৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, এশিয়ার অনেক দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল আমদানি করে, তাই তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে তাদের শেয়ারবাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। এখন দাম কমার সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্যইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় অনেক তেল ট্যাঙ্কার চলাচল সীমিত করেছে। পাশাপাশি কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন ও রফতানি কমাতে পারেএমন শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে, ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পরই কমতে শুরু করলো জ্বালানি তেলের দাম।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত, এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর যে ইরান যুদ্ধখুব শিগগিরইশেষ হবে, এ খবরের প্রভাবেই মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল বাব্রেন্ট ক্রুড অয়েল’-এর দাম প্রায় ৮.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে দামের এই পতনের পরও চলমান সংঘাত শুরুর আগে তুলনায় তেলের দাম এখনও প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, দামের হ্রাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সোমবার (৯ মার্চ) তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধখুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।

তেলের দামের পতনের কারণে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক প্রায় ২.৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, এশিয়ার অনেক দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল আমদানি করে, তাই তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে তাদের শেয়ারবাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। এখন দাম কমার সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্যইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় অনেক তেল ট্যাঙ্কার চলাচল সীমিত করেছে। পাশাপাশি কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন ও রফতানি কমাতে পারেএমন শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে, ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পরই কমতে শুরু করলো জ্বালানি তেলের দাম।