ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্স! আয়োজকরা চায় আমরা বাদ পড়ি: ইরানের অধিনায়ক নিজ দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সবার সঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে বাচ্চা রেখে চলে গেল ‘কাশ্মিরি’ পরিবার ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা বাজেট নিয়ে এবার ‘মানি না, মানবো না’ স্লোগান ওঠেনি : জয়নুল আবদীন চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়: ডা. শফিকুর রহমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে: মির্জা ফখরুল ভারতের মেডিকেল কলেজে ক্লাস নিচ্ছেন আ.লীগের পলাতক সাবেক এমপি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৮৬ বার পড়া হয়েছে

এবার নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন।

সুশীলা কারকি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি ‘আকস্মিক ঝড়ের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের কঠোর সমালোচনা করছে; কেউ কেউ প্রতিদিন সরকার ছাড়ার হুমকি দিচ্ছে। জেন-জি তরুণেরাও প্রতিদিন বলছে—আজ ছাড়ো, কাল ছাড়ো। কিন্তু সরকার ছাড়ার অর্থ কী?’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পর এখন সরে দাঁড়ানোর কথা বলে তাঁদের অপমান করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী কারকি জানান, তরুণ সমাজ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে তিনি এবং তাঁর প্রশাসন ক্রমাগত কটুকথা ও গালিগালাজ শুনছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকটা পেন্ডুলামের মতো হয়ে গেছি। সব বাধা ও অপমান সহ্য করে আমরা ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন জেন-জি তরুণ একেকজন একেক রকম দাবি নিয়ে আসছে। আমরা যেখানেই যাচ্ছি, কোথাও শান্তি পাচ্ছি না।’

তরুণদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে অনীহা ও ক্রমবর্ধমান হতাশা প্রসঙ্গে সুশীলা কারকি বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন তুলছে, নির্বাচনের আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না।’ তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, তাঁর প্রশাসন নেপালকে বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে চায় না। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না। আমরা বাংলাদেশ চাই না।’

এদিকে বক্তব্যের শেষে সুশীলা কারকি তাঁর সরকারের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, তাঁরা বর্তমানে এমন এক পরিস্থিতিতে আছেন, যেখানে বাইরে কোথাও গিয়েও তাঁরা শান্তি বা স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি গণমাধ্যমকেও তাদের এই কঠিন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরার আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ১ হাজার টাকা ট্যাক্স!

নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি

আপডেট সময় ০৪:২৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নেপালকে কোনোভাবেই বাংলাদেশের পথে হাঁটতে দেওয়া হবে না—এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কারকি। সম্প্রতি কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি বর্তমান সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও তরুণ প্রজন্মের ক্রমাগত চাপের কঠোর সমালোচনা করেন।

সুশীলা কারকি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি ‘আকস্মিক ঝড়ের’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের কঠোর সমালোচনা করছে; কেউ কেউ প্রতিদিন সরকার ছাড়ার হুমকি দিচ্ছে। জেন-জি তরুণেরাও প্রতিদিন বলছে—আজ ছাড়ো, কাল ছাড়ো। কিন্তু সরকার ছাড়ার অর্থ কী?’ তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কাজ করার সুযোগ দেওয়ার পর এখন সরে দাঁড়ানোর কথা বলে তাঁদের অপমান করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী কারকি জানান, তরুণ সমাজ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে তিনি এবং তাঁর প্রশাসন ক্রমাগত কটুকথা ও গালিগালাজ শুনছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকটা পেন্ডুলামের মতো হয়ে গেছি। সব বাধা ও অপমান সহ্য করে আমরা ধৈর্যের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন জেন-জি তরুণ একেকজন একেক রকম দাবি নিয়ে আসছে। আমরা যেখানেই যাচ্ছি, কোথাও শান্তি পাচ্ছি না।’

তরুণদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে অনীহা ও ক্রমবর্ধমান হতাশা প্রসঙ্গে সুশীলা কারকি বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন তুলছে, নির্বাচনের আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে কি না।’ তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, তাঁর প্রশাসন নেপালকে বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যেতে চায় না। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে নেপালকে বাংলাদেশ হতে দেব না। আমরা বাংলাদেশ চাই না।’

এদিকে বক্তব্যের শেষে সুশীলা কারকি তাঁর সরকারের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরে বলেন, তাঁরা বর্তমানে এমন এক পরিস্থিতিতে আছেন, যেখানে বাইরে কোথাও গিয়েও তাঁরা শান্তি বা স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি গণমাধ্যমকেও তাদের এই কঠিন পরিস্থিতির কথা তুলে ধরার আহ্বান জানান।