ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি; এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি।

 

শনিবার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনের সামনে কেন্দ্রীয় নির্বাচনি অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন কোনো নেতা বা জমিদার করেনি। সেই আন্দোলন করেছে সাধারণ ছাত্র ও খেটে খাওয়া মানুষ। আমার বাবা ছিলেন সেই আন্দোলনের একজন অংশগ্রহণকারী। তাদের আত্মত্যাগেই ভাষা আন্দোলনে গণমানুষের দাবি জয়ী হয়েছিল। একইভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—সবই সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত।

 

তিনি বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের ৫ আগস্ট রাজপথে সাধারণ মানুষ আমাকে দেখেছে। তখন আমার দলের অন্য কোনো নেতাকে রাজপথে দেখা যায়নি। তাই আমি বলি—যখন তোমার কেউ ছিল না তখন ছিলাম আমি, এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি। আমি কোনো গোষ্ঠীর আপন হতে চাই না, আমি আমার এলাকার মানুষের আপন।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা কিছুদিন আগেও কচুক্ষেতের নিচে ছিল, হ্যাজাক বাতি দিয়েও যাদের খুঁজে পাওয়া যেত না, তারাই আজ আমার নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে ভয় দেখায়। মাত্র ১৫ মাসে এত চর্বি হয়েছে যে তারা হুমকি দেয়। আমি হুমকি দিচ্ছি না, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি—আমার কোনো নেতাকর্মীর গায়ে একটি পশমও স্পর্শ করলে তার জবাব দিতে হবে।

রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী প্রশাসনকেও আমি এক মুহূর্তের জন্য ভয় পাইনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার সুষ্ঠু নির্বাচন। তাই ব্যালটবাক্স ভরে কোনো বিশেষ মার্কাকে জেতানোর সুযোগ নেই। কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের গায়ে হাত দেওয়ার আগে আমাকে জবাব দিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আবজাল হোসেন, সরাইল সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মো. ওসমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আকবর হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। দোয়া পরিচালনা করেন শাহবাজপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মুফতি শহিদুল ইসলাম।

 

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব মনোনীত হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০১:১৩:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি; এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি।

 

শনিবার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনের সামনে কেন্দ্রীয় নির্বাচনি অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ৫২-এর ভাষা আন্দোলন কোনো নেতা বা জমিদার করেনি। সেই আন্দোলন করেছে সাধারণ ছাত্র ও খেটে খাওয়া মানুষ। আমার বাবা ছিলেন সেই আন্দোলনের একজন অংশগ্রহণকারী। তাদের আত্মত্যাগেই ভাষা আন্দোলনে গণমানুষের দাবি জয়ী হয়েছিল। একইভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—সবই সাধারণ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত।

 

তিনি বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের ৫ আগস্ট রাজপথে সাধারণ মানুষ আমাকে দেখেছে। তখন আমার দলের অন্য কোনো নেতাকে রাজপথে দেখা যায়নি। তাই আমি বলি—যখন তোমার কেউ ছিল না তখন ছিলাম আমি, এখন তোমার সব হয়েছে পর হয়েছি আমি। আমি কোনো গোষ্ঠীর আপন হতে চাই না, আমি আমার এলাকার মানুষের আপন।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা কিছুদিন আগেও কচুক্ষেতের নিচে ছিল, হ্যাজাক বাতি দিয়েও যাদের খুঁজে পাওয়া যেত না, তারাই আজ আমার নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে ভয় দেখায়। মাত্র ১৫ মাসে এত চর্বি হয়েছে যে তারা হুমকি দেয়। আমি হুমকি দিচ্ছি না, বিনীতভাবে অনুরোধ করছি—আমার কোনো নেতাকর্মীর গায়ে একটি পশমও স্পর্শ করলে তার জবাব দিতে হবে।

রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনার মতো শক্তিশালী প্রশাসনকেও আমি এক মুহূর্তের জন্য ভয় পাইনি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার সুষ্ঠু নির্বাচন। তাই ব্যালটবাক্স ভরে কোনো বিশেষ মার্কাকে জেতানোর সুযোগ নেই। কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের গায়ে হাত দেওয়ার আগে আমাকে জবাব দিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আবজাল হোসেন, সরাইল সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি মো. ওসমান, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আকবর হোসেনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী। দোয়া পরিচালনা করেন শাহবাজপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মুফতি শহিদুল ইসলাম।

 

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব মনোনীত হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।