ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: সংসদে ববি হাজ্জাজ বেগম খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দিতে চাওয়া সেই সোহাগ গ্রেপ্তার দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ মানহানির মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন এমপি আমির হামজা ফিলিস্তিনের পক্ষে থেকেও ইসরায়েলকে জ্বালানি দিয়ে সাহায্য করছে ব্রাজিল প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে, পুলিশের সামনেই মেয়েকে হত্যা করলেন বাবা-মা প্রাথমিক শিক্ষকদের এখন থেকে বদলি করবে স্থানীয় প্রশাসন: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার গণমাধ্যমকে অন্ধকার গলি থেকে মুক্ত আকাশে বের করেন শহীদ জিয়া: তথ্যমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ, তালিকায় কততম ভারত ও পাকিস্তান?

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ, তালিকায় কততম ভারত ও পাকিস্তান?

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

 

গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০২৬ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট ১৬৩টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৭তম এবং স্কোর ৫-এর মধ্যে ২.২২৬। অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) ৯ জুন প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ‘মিডিয়াম’ বা মধ্যম শান্তির স্তরে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনটি প্রধান ক্ষেত্র—সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, চলমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং সামরিকীকরণ—এই ২৩টি সূচকের ভিত্তিতে শান্তির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। স্কোর যত কম, দেশ তত বেশি শান্তিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশ এই সূচকে সামাজিক নিরাপত্তায় ২.৫৭৯, চলমান সংঘাতে ২.২৩৭ এবং সামরিকীকরণে ১.৬১৫ স্কোর অর্জন করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ভুটান, যা বৈশ্বিক তালিকায় ১৬তম স্থানে আছে। দ্বিতীয় স্থানে শ্রীলঙ্কা (৬৭তম) এবং তৃতীয় স্থানে নেপাল (১১১তম)। ভারতের অবস্থান ১২৭তম, পাকিস্তান ১৫২তম এবং আফগানিস্তান ১৫৭তম স্থানে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিকভাবে শান্তির সূচকে টানা ১৯ বছর ধরে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। অন্যদিকে সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, সুদান, গণতান্ত্রিক কঙ্গো, ইউক্রেন ও ইসরায়েল।

এতে আরও বলা হয়, গত এক বছরে বৈশ্বিক শান্তির মাত্রা ০.৭ শতাংশ কমেছে এবং ১৬৩ দেশের মধ্যে ৯৯টিতে অবনতি দেখা গেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এ সময় সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক পতন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে গড়ে ২.৩ শতাংশ অবনতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জ্বালানি ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাত ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে এলএনজি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংকট আরও ঘনীভূত হলে জ্বালানি ব্যয় জিডিপির ১.৫ থেকে ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: সংসদে ববি হাজ্জাজ

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ, তালিকায় কততম ভারত ও পাকিস্তান?

আপডেট সময় ০২:২২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

 

গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০২৬ অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির সূচকে বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট ১৬৩টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৭তম এবং স্কোর ৫-এর মধ্যে ২.২২৬। অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) ৯ জুন প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে ‘মিডিয়াম’ বা মধ্যম শান্তির স্তরে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনটি প্রধান ক্ষেত্র—সামাজিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, চলমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাত এবং সামরিকীকরণ—এই ২৩টি সূচকের ভিত্তিতে শান্তির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। স্কোর যত কম, দেশ তত বেশি শান্তিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। বাংলাদেশ এই সূচকে সামাজিক নিরাপত্তায় ২.৫৭৯, চলমান সংঘাতে ২.২৩৭ এবং সামরিকীকরণে ১.৬১৫ স্কোর অর্জন করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে ভুটান, যা বৈশ্বিক তালিকায় ১৬তম স্থানে আছে। দ্বিতীয় স্থানে শ্রীলঙ্কা (৬৭তম) এবং তৃতীয় স্থানে নেপাল (১১১তম)। ভারতের অবস্থান ১২৭তম, পাকিস্তান ১৫২তম এবং আফগানিস্তান ১৫৭তম স্থানে রয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিকভাবে শান্তির সূচকে টানা ১৯ বছর ধরে শীর্ষে রয়েছে আইসল্যান্ড। অন্যদিকে সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে রাশিয়া, সুদান, গণতান্ত্রিক কঙ্গো, ইউক্রেন ও ইসরায়েল।

এতে আরও বলা হয়, গত এক বছরে বৈশ্বিক শান্তির মাত্রা ০.৭ শতাংশ কমেছে এবং ১৬৩ দেশের মধ্যে ৯৯টিতে অবনতি দেখা গেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এ সময় সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক পতন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে গড়ে ২.৩ শতাংশ অবনতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জ্বালানি ও অর্থনৈতিক ঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাত ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে এলএনজি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংকট আরও ঘনীভূত হলে জ্বালানি ব্যয় জিডিপির ১.৫ থেকে ২.৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।