ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়া ও এরশাদ পারেননি, তাই বলে তার উত্তরসূরীরাও পারবে না?- সাদিক কায়েম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • ৯৭৮ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জে একসময় যে শহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজনৈতিক জনসভা করতে গিয়ে অপমানিত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন, সেই ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এবার সেখানে গিয়েছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সার্জিস আলম। এই ঘটনাকে ঘিরে ফেসবুকে আলোড়ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম। তিনি লেখেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রীয় সফরে গোপালগঞ্জে যান, তখন স্থানীয় আওয়ামী সমর্থকরা শহরের প্রবেশ পথে মানবপ্রাচীর তৈরি করে তার গাড়িবহর থামিয়ে দেয় এবং ‘ঘাতক’, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। প্রস্তুত থাকা মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়, মাইক ছিনিয়ে নেওয়া হয়, এবং শেষ পর্যন্ত জিয়াকে হেলিকপ্টারে করে খুলনায় সরিয়ে নেওয়া হয়। একই ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়েছিলেন রাষ্ট্রপতি এরশাদও। ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়, রাস্তায় গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করে, এবং শেষে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাকে গোপালগঞ্জ ত্যাগ করতে হয়। সাদিক কায়েম প্রশ্ন তোলেন—জিয়া ও এরশাদ যেখানে ব্যর্থ, সেখানে তাদের উত্তরসূরীরা কি পারবে? তিনি জোর দিয়ে বলেন, হাসনাত ও সার্জিসরা সেই ইতিহাস জেনেই গিয়েছেন, ঝুঁকি নিয়ে গিয়েছেন ইতিহাস বদলাতে। সেই গোপালগঞ্জে, যেখানে একসময় প্রবেশ করাও ছিল দুঃসাধ্য, সেখানে এখন বজ্রকণ্ঠে শোনা গেছে মুজিববাদবিরোধী স্লোগান। এটি কি শুধুই প্রতীকী, না কি ইতিহাসের গতিপথ বদলের ইঙ্গিত? যা নিশ্চিত—গোপালগঞ্জের মাটি আজ অন্য এক ইতিহাসের সাক্ষী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেপ্তার

জিয়া ও এরশাদ পারেননি, তাই বলে তার উত্তরসূরীরাও পারবে না?- সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ১১:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে একসময় যে শহরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজনৈতিক জনসভা করতে গিয়ে অপমানিত ও ব্যর্থ হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন, সেই ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এবার সেখানে গিয়েছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সার্জিস আলম। এই ঘটনাকে ঘিরে ফেসবুকে আলোড়ন তুলেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম। তিনি লেখেন, শহীদ জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্রীয় সফরে গোপালগঞ্জে যান, তখন স্থানীয় আওয়ামী সমর্থকরা শহরের প্রবেশ পথে মানবপ্রাচীর তৈরি করে তার গাড়িবহর থামিয়ে দেয় এবং ‘ঘাতক’, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে। প্রস্তুত থাকা মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়, মাইক ছিনিয়ে নেওয়া হয়, এবং শেষ পর্যন্ত জিয়াকে হেলিকপ্টারে করে খুলনায় সরিয়ে নেওয়া হয়। একই ধরনের প্রতিরোধের মুখে পড়েছিলেন রাষ্ট্রপতি এরশাদও। ছাত্রলীগ ও যুবলীগ সভামঞ্চে আগুন ধরিয়ে দেয়, রাস্তায় গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করে, এবং শেষে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে তাকে গোপালগঞ্জ ত্যাগ করতে হয়। সাদিক কায়েম প্রশ্ন তোলেন—জিয়া ও এরশাদ যেখানে ব্যর্থ, সেখানে তাদের উত্তরসূরীরা কি পারবে? তিনি জোর দিয়ে বলেন, হাসনাত ও সার্জিসরা সেই ইতিহাস জেনেই গিয়েছেন, ঝুঁকি নিয়ে গিয়েছেন ইতিহাস বদলাতে। সেই গোপালগঞ্জে, যেখানে একসময় প্রবেশ করাও ছিল দুঃসাধ্য, সেখানে এখন বজ্রকণ্ঠে শোনা গেছে মুজিববাদবিরোধী স্লোগান। এটি কি শুধুই প্রতীকী, না কি ইতিহাসের গতিপথ বদলের ইঙ্গিত? যা নিশ্চিত—গোপালগঞ্জের মাটি আজ অন্য এক ইতিহাসের সাক্ষী।