ঢাকা , শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম ৫০ কেন্দ্রে জামায়াত প্রার্থী ডা. তাহের বড় ব্যবধানে এগিয়ে ঢাকা-১০ আসনে ৪ কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে বিএনপি যশোর-২ চৌগাছা ৬০ কেন্দ্রে জামায়াত এগিয়ে, ধানের শীষ পেছনে কুষ্টিয়া-৩ আসনে ৪৫ কেন্দ্রে এগিয়ে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নিজ কেন্দ্রে ৫ ভোটে পরাজিত জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান, জয়ী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে বিজয়ী নাসির উদ্দিন চৌধুরী, শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত প্রার্থী শিশির মনির ঝিনাইদহ-১ আসনে ধানের শীষে জয়ী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা-১৫ আসনে ৩০ কেন্দ্রে এগিয়ে ডা. শফিকুর রহমান, দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ ভোটগ্রহণ ঢাকা-৬ আসনে তিন কেন্দ্রে এগিয়ে ইশরাক হোসেন, ধানের শীষে ২৮০০ ভোট

গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের হুমকি, মুখ খুললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ এবং ডেনমার্কের। এটি একটি মৌলিক অধিকার এবং আমরা একে সমর্থন করি।

 

আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা নিয়ে স্টারমার বলেন, বাণিজ্য যুদ্ধ কারও স্বার্থই রক্ষা করে না। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে এবং পণ্যের দাম বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া মানুষরাই সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষায় তার সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। সোমবার( ১৯ জানুয়ারি) ডাউনিং স্ট্রিটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে স্টারমার এসব কথা বলেন। খবর বিবিসির।

মতপার্থক্য মেটানোর সঠিক পথ হলো শান্ত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা জানিয়ে স্টারমাস বলেন, ট্রাম্প বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন না। তবে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি এমন একটি সময়, যখন পুরো দেশকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

 

শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা ১ জুন থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশে দাঁড়াবে।

 

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই শুল্ক কার্যকর হলে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। এর প্রভাব ইউরোপীয় শেয়ারবাজারেও পড়েছে। সোমবার সকালে গাড়ি ও বিলাসপণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়।

 

এদিকে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি শুল্ক আরোপের হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যুক্তিসংগত সংলাপের পরিবর্তে শুল্ক কখনোই দরকষাকষির হাতিয়ার হওয়া উচিত নয়।

 

স্টারমার আরও জানান, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি পুতিনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে ইউক্রেন ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে মিলে কাজ করার প্রত্যয় জানান তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক সক্ষমতা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে মার্কিন সহযোগিতা অত্যন্ত কার্যকর উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, তিনি এই সম্পর্ককে শক্তিশালী ও গঠনমূলক রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের ফেসবুক পেজে বিজয়ী ৩৮ প্রার্থীর নাম

গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের হুমকি, মুখ খুললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল গ্রিনল্যান্ডের জনগণ এবং ডেনমার্কের। এটি একটি মৌলিক অধিকার এবং আমরা একে সমর্থন করি।

 

আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা নিয়ে স্টারমার বলেন, বাণিজ্য যুদ্ধ কারও স্বার্থই রক্ষা করে না। সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে এবং পণ্যের দাম বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও খেটে খাওয়া মানুষরাই সবার আগে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষায় তার সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। সোমবার( ১৯ জানুয়ারি) ডাউনিং স্ট্রিটে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে স্টারমার এসব কথা বলেন। খবর বিবিসির।

মতপার্থক্য মেটানোর সঠিক পথ হলো শান্ত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা জানিয়ে স্টারমাস বলেন, ট্রাম্প বাস্তবে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছেন না। তবে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালালেও পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত গুরুতর’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি এমন একটি সময়, যখন পুরো দেশকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

 

শনিবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, যা ১ জুন থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশে দাঁড়াবে।

 

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই শুল্ক কার্যকর হলে যুক্তরাজ্যের জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। এর প্রভাব ইউরোপীয় শেয়ারবাজারেও পড়েছে। সোমবার সকালে গাড়ি ও বিলাসপণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বড় ধরনের পতন দেখা যায়।

 

এদিকে স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি শুল্ক আরোপের হুমকির নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, যুক্তিসংগত সংলাপের পরিবর্তে শুল্ক কখনোই দরকষাকষির হাতিয়ার হওয়া উচিত নয়।

 

স্টারমার আরও জানান, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। গাজায় যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার পাশাপাশি পুতিনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে ইউক্রেন ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে মিলে কাজ করার প্রত্যয় জানান তিনি।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা, পারমাণবিক সক্ষমতা এবং গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ে মার্কিন সহযোগিতা অত্যন্ত কার্যকর উল্লেখ করে স্টারমার বলেন, তিনি এই সম্পর্ককে শক্তিশালী ও গঠনমূলক রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।