ঢাকা , শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারি গাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির সুবর্ণচর উপজেলা-এ দুর্ঘটনায় স্বামী হারিয়ে তিন সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন আয়েশার ওসির সামনেই যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ বাংলাদেশ ভালো নেই, অভিযোগ ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েমের সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার বিচার একটি দৃষ্টান্ত হবে : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত চট্টগ্রামে বিভিন্ন দেশের জাল মুদ্রাসহ আটক ১ রাজধানীসহ সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত নরসিংদীতে ধ’র্ষণের বিচার চাওয়ায় বিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণের পর হত্যা মোঃ সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে বইমেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, আরোহীর সবাই নিহত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের ঝাড়খণ্ডে সাতজন আরোহী নিয়ে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফ্রেব্রুয়ারি) ঝাড়খণ্ডের চাতরা জেলার সিমারিয়ার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় বিমানে থাকা সাতজন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। রাজ্য সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি. সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির দিকে যাচ্ছিল।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত এই বিমানটি সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিমানটি নিখোঁজ হয় এবং পরবর্তীতে সিমারিয়ার বাড়িয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার একটি জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। ঝোড়ো আবহাওয়ার মধ্যে বিকট শব্দে বিমানটি আছড়ে পড়ে।

সড়কপথে যাত্রা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলেই রোগীর স্বজনরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেছে নিয়েছিলেন। বিজয় কুমার নামে রোগীর এক আত্মীয় বলেন, চিকিৎসক আমাদের জানিয়েছিলেন যে রোগী সড়কপথের ধকল সহ্য করতে পারবেন না। যদি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা যায়, তবেই তাকে নেওয়া সম্ভব হবে। তাই আমরা বিমানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু পরে সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানিয়েছেন, উড্ডয়নের পর বিমানটি কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই সেটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রবল ঝড়বৃষ্টি, বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাত হচ্ছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে, ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত২০১৮ সালে অক্ষয় যাদবের হাত ধরে রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৯ সালে এটি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পায়। ডিজিসিএর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই সংস্থার বহরে মোট ছয়টি বিমান ছিল, যার মধ্যে একটি সোমবার বিধ্বস্ত হলো।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি গাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

ভারতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত, আরোহীর সবাই নিহত

আপডেট সময় ১০:৩৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার ভারতের ঝাড়খণ্ডে সাতজন আরোহী নিয়ে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়েছে। সোমবার (২৩ ফ্রেব্রুয়ারি) ঝাড়খণ্ডের চাতরা জেলার সিমারিয়ার কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় বিমানে থাকা সাতজন আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। রাজ্য সরকারের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। চাতরার ডেপুটি কমিশনার কীর্তিশ্রী জি. সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সাতজনই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির দিকে যাচ্ছিল।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত এই বিমানটি সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাঁচি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিমানটি নিখোঁজ হয় এবং পরবর্তীতে সিমারিয়ার বাড়িয়াতু পঞ্চায়েত এলাকার একটি জঙ্গলে বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রচণ্ড বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। ঝোড়ো আবহাওয়ার মধ্যে বিকট শব্দে বিমানটি আছড়ে পড়ে।

সড়কপথে যাত্রা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল বলেই রোগীর স্বজনরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেছে নিয়েছিলেন। বিজয় কুমার নামে রোগীর এক আত্মীয় বলেন, চিকিৎসক আমাদের জানিয়েছিলেন যে রোগী সড়কপথের ধকল সহ্য করতে পারবেন না। যদি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা যায়, তবেই তাকে নেওয়া সম্ভব হবে। তাই আমরা বিমানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু পরে সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

রাঁচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানিয়েছেন, উড্ডয়নের পর বিমানটি কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই সেটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুর্ঘটনার সময় ওই এলাকায় প্রবল ঝড়বৃষ্টি, বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাত হচ্ছিল। বৈরী আবহাওয়ার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে, ভারতের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত ব্যুরো বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত২০১৮ সালে অক্ষয় যাদবের হাত ধরে রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৯ সালে এটি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পায়। ডিজিসিএর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এই সংস্থার বহরে মোট ছয়টি বিমান ছিল, যার মধ্যে একটি সোমবার বিধ্বস্ত হলো।