ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম অভিযোগ করে বলেছেন, বাংলাদেশ আজ ভালো নেই। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আমরা এমন একটা বাংলাদেশ চেয়েছিলাম যেখানে কোনো গুম-খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি থাকবে না। নতুন যে সরকার আসবে তারা কোনো দলের হবে না, বরং জনগণের হবে। কিন্তু আমরা দেখেছি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চারটা লাশ পড়েছে। সারাদেশে মা-বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদীসহ সারাদেশে হওয়া ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনাসমূহের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে ডাকসু আয়োজিত ‘বিক্ষোভ’ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন
এদিন বাদ জুমা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ-মিছিল শুরু করে ডাকসু। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস, হ্যাং দা রেপিস্ট’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, ধর্ষকদের কবর দে’, ‘তারেক রহমান, ধর্ষণ করো অবসান’সহ নানা স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে সাদিক কায়েম বলেন, সম্প্রতি নরসিংদীর ঘটনা আইয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানিয়েছে। সেখানে দেখেছি কিভাবে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও, সারাদেশে ফ্যাসিবাদী উপায়ে ভিন্নমত দমন করা হচ্ছে। আমরা বেঁচে থাকতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম হতে দেবো না। জীবন দিয়ে হলেও বাংলাদেশে আর হাসিনাতন্ত্র ফিরে আসতে দেবো না। কেউ যদি হাসিনা হয়ে উঠতে চায় তাহলে আমরা আবু সাঈদ হয়ে তাদের রুখে দেবো।
তিনি বলেন, আমরা দেখছি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারা একটা সন্ত্রাসী সংগঠন। তারা জুলাইয়ে ২০০০ মানুষ হত্যা করেছে। খুনি হাসিনার বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি নিতে হবে। তাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাকে ফাঁসিতে ঝোলাতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমরা দেখছি আপনি বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছেন। এই জুলাই প্রজন্ম কারও হুমকির তোয়াক্কা করে না।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















