জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া খাস জমিতে পাকা বা স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করার সুযোগ নেই। তবে এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে খাস জমিতে (চান্দিনা ভিটি) আধাপাকা ও পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে রমরমা বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। সরেজমিনে এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা ভূমি বিভাগ।
জানা গেছে, উপজেলার বিলবিলাস বাজারে আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে সরকারের চান্দিনা ভিটিতে পাকা ও আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লক্ষাধিক টাকার বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। বগা ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আমির হোসেন ও মধ্যমদনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিল্লাত ইসলাম জমির ডিসিআর নিলেও ভূমি অফিস তাদের স্থায়ী স্থাপনা করার অনুমতি দেয়নি। অপরদিকে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু খান জমির কোনো ডিসিআর নেননি, অথচ তিনিও সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তারা ভাড়া বাবদ লক্ষাধিক টাকা অগ্রিম নিয়েছেন এবং প্রতিমাসে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করছেন। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে বাণিজ্য করে আসছেন অভিযুক্তরা। অভিযুক্ত কেউই এ বিষয়ে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমতির জন্য আবেদন করবেন।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার (চান্দিনা ভিটি অনুমোদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এনামুল হক বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এদের মধ্যে টিপু খান আমাদের কাছ থেকে কোনো ডিসিআর নেননি। অন্যরাও স্থাপনা নির্মাণের জন্য আবেদন করেননি। শিগগিরই ঘটনাস্থলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























