ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাজধানীতে আজ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াত আগামীকাল সচিবালয়ে অফিস করতে পারেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রিসভায় শপথের ডাক পেলেন এহসানুল হক মিলন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার ঘোষণা বিএনপির তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপির সংসদীয় দল শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জুবাইদার সাথে শাড়ি পরে জাইমা রহমান বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে কোনো শপথই নেবেন না ১১ দলীয় জোট অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আমীর খসরু গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন মির্জা আব্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ

খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে বাণিজ্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া খাস জমিতে পাকা বা স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করার সুযোগ নেই। তবে এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে খাস জমিতে (চান্দিনা ভিটি) আধাপাকা ও পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে রমরমা বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। সরেজমিনে এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা ভূমি বিভাগ।

জানা গেছে, উপজেলার বিলবিলাস বাজারে আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে সরকারের চান্দিনা ভিটিতে পাকা ও আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লক্ষাধিক টাকার বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। বগা ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আমির হোসেন ও মধ্যমদনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিল্লাত ইসলাম জমির ডিসিআর নিলেও ভূমি অফিস তাদের স্থায়ী স্থাপনা করার অনুমতি দেয়নি। অপরদিকে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু খান জমির কোনো ডিসিআর নেননি, অথচ তিনিও সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তারা ভাড়া বাবদ লক্ষাধিক টাকা অগ্রিম নিয়েছেন এবং প্রতিমাসে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করছেন। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে বাণিজ্য করে আসছেন অভিযুক্তরা। অভিযুক্ত কেউই এ বিষয়ে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমতির জন্য আবেদন করবেন।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার (চান্দিনা ভিটি অনুমোদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এনামুল হক বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এদের মধ্যে টিপু খান আমাদের কাছ থেকে কোনো ডিসিআর নেননি। অন্যরাও স্থাপনা নির্মাণের জন্য আবেদন করেননি। শিগগিরই ঘটনাস্থলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে আজ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জামায়াত

খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে বাণিজ্য

আপডেট সময় ০৩:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

জাহিদ শিকদার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া খাস জমিতে পাকা বা স্থায়ী স্থাপনা তৈরি করার সুযোগ নেই। তবে এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে খাস জমিতে (চান্দিনা ভিটি) আধাপাকা ও পাকা স্থাপনা নির্মাণ করে রমরমা বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। সরেজমিনে এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা ভূমি বিভাগ।

জানা গেছে, উপজেলার বিলবিলাস বাজারে আব্দুর রশিদ সরদার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশে সরকারের চান্দিনা ভিটিতে পাকা ও আধাপাকা দোকানঘর নির্মাণ করে ভাড়া দিয়ে লক্ষাধিক টাকার বাণিজ্য করছেন দুজন শিক্ষক ও একজন সাবেক বিএনপি নেতা। বগা ইয়াকুব শরীফ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আমির হোসেন ও মধ্যমদনপুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিল্লাত ইসলাম জমির ডিসিআর নিলেও ভূমি অফিস তাদের স্থায়ী স্থাপনা করার অনুমতি দেয়নি। অপরদিকে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টিপু খান জমির কোনো ডিসিআর নেননি, অথচ তিনিও সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তারা ভাড়া বাবদ লক্ষাধিক টাকা অগ্রিম নিয়েছেন এবং প্রতিমাসে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া আদায় করছেন। প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে বাণিজ্য করে আসছেন অভিযুক্তরা। অভিযুক্ত কেউই এ বিষয়ে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি হননি। তবে তারা জানিয়েছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমতির জন্য আবেদন করবেন।

এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সার্ভেয়ার (চান্দিনা ভিটি অনুমোদনের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এনামুল হক বলেন, ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। এদের মধ্যে টিপু খান আমাদের কাছ থেকে কোনো ডিসিআর নেননি। অন্যরাও স্থাপনা নির্মাণের জন্য আবেদন করেননি। শিগগিরই ঘটনাস্থলে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।