ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

হরমুজ প্রণালির পর এবার ওমান উপসাগরও নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার হরমুজ প্রণালির পরবর্তী এলাকা ওমান উপসাগরের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতেএমন দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর এক শীর্ষ কমান্ডার। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কমান্ডার দাবি করেনমার্কিন সেনারা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে ইরান। তারা সীমার মধ্যে এলেই উপকূলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইরানের সামরিক মহড়া ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কারণে মার্কিন রণতরীইউএসএস আব্রাহাম লিংকনইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল ও ওমান উপসাগর বর্তমানে ইরানের নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সমুদ্রপথ, যা ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বে উৎপাদিত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো এ পথের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

প্রণালিটির একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত। সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে এর প্রস্থ মাত্র ২১ মাইল, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ করে তোলে। এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

হরমুজ প্রণালির পর এবার ওমান উপসাগরও নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

আপডেট সময় ১০:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

এবার হরমুজ প্রণালির পরবর্তী এলাকা ওমান উপসাগরের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতেএমন দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর এক শীর্ষ কমান্ডার। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কমান্ডার দাবি করেনমার্কিন সেনারা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে ইরান। তারা সীমার মধ্যে এলেই উপকূলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইরানের সামরিক মহড়া ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার কারণে মার্কিন রণতরীইউএসএস আব্রাহাম লিংকনইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল ও ওমান উপসাগর বর্তমানে ইরানের নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সমুদ্রপথ, যা ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্বে উৎপাদিত মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতের মতো প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো এ পথের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

প্রণালিটির একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত। সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে এর প্রস্থ মাত্র ২১ মাইল, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ করে তোলে। এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। সূত্র: আল জাজিরা