ঢাকা , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শ্রমিক লীগের সদস্য থেকে তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আম্মার ছিলেন শিবিরের ‘সাথী’, ‘পদ-বাণিজ্য’ করে হন বহিষ্কার নিয়োগের দাবিতে কাফন পরে ২২ প্রার্থীর অনশন ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে উত্তাল মরক্কো, ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ক্ষোভ ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে নির্যাতন, ছাত্রদলের দুই নেতা বহিষ্কার ইসরায়েলগামী সেই বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা করেছেন পাইলট, বলল নেতানিয়াহু ডেঙ্গু ঠেকাতে সচেতনতার বার্তা, রমনায় মশক নিধন অভিযানে সাদিক কায়েম ঠাকুরগাঁওয়ে ফার্মেসিতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় ওষধ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪ নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মহিউদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার শহীদ হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’

নিয়োগের দাবিতে কাফন পরে ২২ প্রার্থীর অনশন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় বিছিয়ে অনশন শুরু করেছেন ২২ নিয়োগপ্রত্যাশী। একই সঙ্গে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।

 

বুধবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন জেলায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে গেলেও ময়মনসিংহের ২২ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। কেন তাদের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও তাদের স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেন অনশনকারীরা।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়, জেলা, উপজেলা, বিভাগীয় কিংবা অধিদপ্তর পর্যায়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়। মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী সময়ে কোনো নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পাঠানো হলে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যথায় বর্তমানে যে সিদ্ধান্ত রয়েছে, সেটিই বহাল থাকবে।

 

বাদ পড়াদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা প্রতিবেদন গোপনীয়, এমনকি অত্যন্ত গোপনীয় হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। তাই তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তা আমাদের জানা বা প্রকাশ করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই অবগত আছেন। আমরা তাদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক লীগের সদস্য থেকে তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক

নিয়োগের দাবিতে কাফন পরে ২২ প্রার্থীর অনশন

আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ময়মনসিংহে কাফনের কাপড় বিছিয়ে অনশন শুরু করেছেন ২২ নিয়োগপ্রত্যাশী। একই সঙ্গে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তারা।

 

বুধবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন জেলায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে গেলেও ময়মনসিংহের ২২ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। কেন তাদের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও তাদের স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি করেন অনশনকারীরা।

 

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রয়েছে।

 

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়, জেলা, উপজেলা, বিভাগীয় কিংবা অধিদপ্তর পর্যায়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের বিষয়। মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী সময়ে কোনো নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পাঠানো হলে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যথায় বর্তমানে যে সিদ্ধান্ত রয়েছে, সেটিই বহাল থাকবে।

 

বাদ পড়াদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত। গোয়েন্দা প্রতিবেদন গোপনীয়, এমনকি অত্যন্ত গোপনীয় হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। তাই তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের সংশ্লিষ্টতার কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তা আমাদের জানা বা প্রকাশ করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই অবগত আছেন। আমরা তাদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছি।