ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৯ কিলোমিটারের লক্ষ্যে খনন ২১ কিলোমিটার, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৪০ লাখ রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না পাকিস্তানের হাতে আটক হওয়া সেই ভারতীয় পাইলট যুদ্ধবিমান ছেড়ে চালাবেন যাত্রীবাহী বিমান সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয় আমরা সবাই বাংলাদেশী: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা হরমুজ প্রণালিতে আরও নৌ মাইন বসাচ্ছে ইরান ‘রাজধানীর জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তায় কোনো হকার বসতে পারবে না’ মাকে মারধরের ঘটনায় ছেলের ৬ মাসের জেল, ১০০ টাকা জরিমানা বাবাকে হাসপাতালে এনে জমির দলিলে সই নেওয়ার চেষ্টা মেয়ের, ভিডিও ভাইরাল আপনি প্রেসিডেন্ট, উন্মাদ রাজা নন: ট্রাম্পকে মার্কিন সিনেটর

জনগণ ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৩০ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জুলাই সনদ ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রসঙ্গে বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্যের নামে অনৈক্য তৈরির চেষ্টা হয়েছে। তবে আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়টিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। জাতীয় সার্বভৌমত্বকে কখনও কোনো আদেশ দিয়ে তো বাধ্য করা যায় না। কারণ দেশের সর্বোচ্চ সার্বভৌমত্ব হলো জাতীয় সংসদ। মানুষ ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। জনগণ ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষার রূপান্তর: একটি কৌশলগত রোডম্যাপ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।

গণভোট নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, জুলাই সনদে গণভোট নিয়ে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে, তাতে মনে হয়, পিএইচডি ডিগ্রিধারীদেরও তা পড়তে অনেক সময় লাগবে। তিনি বলেন, যাইহোক দেশে একটি আদেশ জারি হয়েছে। দেশে আদেশ জারির কোনো ইতিহাসও নেই এবং এ ধরনের আদেশের ভবিষ্যৎ নেই। এ বিষয়ে সাংবিধানিক আইনি বৈধতা নেই। এদের (সরকার) উদ্দেশ্যে হলো– একটি লিগ্যাল কেওয়াজ তৈরি করা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ কাউসার ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান প্রমুখ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ কিলোমিটারের লক্ষ্যে খনন ২১ কিলোমিটার, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৪০ লাখ

জনগণ ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

আপডেট সময় ১১:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

এবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জুলাই সনদ ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রসঙ্গে বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্যের নামে অনৈক্য তৈরির চেষ্টা হয়েছে। তবে আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়টিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। জাতীয় সার্বভৌমত্বকে কখনও কোনো আদেশ দিয়ে তো বাধ্য করা যায় না। কারণ দেশের সর্বোচ্চ সার্বভৌমত্ব হলো জাতীয় সংসদ। মানুষ ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করে। জনগণ ভোটের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।

গতকাল সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষার রূপান্তর: একটি কৌশলগত রোডম্যাপ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।

গণভোট নিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, জুলাই সনদে গণভোট নিয়ে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে, তাতে মনে হয়, পিএইচডি ডিগ্রিধারীদেরও তা পড়তে অনেক সময় লাগবে। তিনি বলেন, যাইহোক দেশে একটি আদেশ জারি হয়েছে। দেশে আদেশ জারির কোনো ইতিহাসও নেই এবং এ ধরনের আদেশের ভবিষ্যৎ নেই। এ বিষয়ে সাংবিধানিক আইনি বৈধতা নেই। এদের (সরকার) উদ্দেশ্যে হলো– একটি লিগ্যাল কেওয়াজ তৈরি করা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ কাউসার ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান, ঢাবির কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান প্রমুখ।