ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টুঙ্গিপাড়ায় পঙ্গু স্বামী ও শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রীর পলায়ন ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় সাবেক প্রতিমন্ত্রী-এমপিসহ ৪০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ঝড়ে ভেঙে গেছে মসজিদের মূল অংশ, বারান্দায় নামাজ পড়ছেন মুসল্লিরা বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ৩ ধাপ পেছালো বাংলাদেশ কেরোসিন তেল কি অপবিত্র

পশুর হাট নিয়ে বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২০

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • ৭২৬ বার পড়া হয়েছে

এবার নারায়ণগঞ্জে কোরবানীর পশুর হাটের শিডিউল ক্রয় নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দাফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা হাটের শিডিউল কিনতে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। তখন পুলিশ ধাওয়া করে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং ৮জনকে আটক করেছে।

গতকাল বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কার্যালয় পাঠে এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন-ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আরমান, বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফা, আরিফ সহ ১৫/২০জন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ সদরের গোপনগর ইউনিয়ন থেকে ৩০/৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী নিজেদের বিএনপির লোক পরিচয়ে সকালে সদর উপজেলায় আসে। এরপর তারা কিছু লোক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পাশের কক্ষের সামনে অবস্থান নেয়। আর কিছু লোক উপজেলা পরিষদের মাঠে অবস্থান নেয়। যারা হাটের সিডিউল ক্রয় করে বাহিরে বের হয় তাদেরই দেহ তল্লাশী করে শিডিউল রেখে দেয়।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফা সহ ১০/১২জন ওই সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত হয়। এরপর বিকেলে ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আরমান সহ বিএনপি নেতাকর্মীরা আসেন উপজেলায়। তখন তার সামনে ওই সন্ত্রাসী উশৃঙ্খলাতা করলে সে প্রতিবাদ করেন।

এসময় সন্ত্রাসীরা রুহুল আমিন শিকদারকে মারধর করলে বিএনপি নেতা আরিফ প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করে। পরে খবর পেয়ে বিএনপির লোকজন এসে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে কয়েকজনকে গণপিটুনী দেয়। তখন ওই সন্ত্রাসীদের মধ্যে কিছু পালিয়ে যায় আর ৮জন উপজেলা কার্যালয়ের অফিস কক্ষে আশ্রয় নেয়। এসময় পুলিশ তাদের আটক করেন। তাৎক্ষনিক আটককৃতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।

এদিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, সদরের ১৫টি পশুর হাটের শিডিউল বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে কিছু উশৃঙ্খল যুবক পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলেছে। তাদের আটক করা হয়েছে। নাম পরিচয় জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

টুঙ্গিপাড়ায় পঙ্গু স্বামী ও শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রীর পলায়ন

পশুর হাট নিয়ে বিএনপির দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২০

আপডেট সময় ১২:২৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

এবার নারায়ণগঞ্জে কোরবানীর পশুর হাটের শিডিউল ক্রয় নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দাফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির সন্ত্রাসীরা হাটের শিডিউল কিনতে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। তখন পুলিশ ধাওয়া করে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং ৮জনকে আটক করেছে।

গতকাল বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কার্যালয় পাঠে এঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন-ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আরমান, বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফা, আরিফ সহ ১৫/২০জন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ সদরের গোপনগর ইউনিয়ন থেকে ৩০/৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী নিজেদের বিএনপির লোক পরিচয়ে সকালে সদর উপজেলায় আসে। এরপর তারা কিছু লোক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পাশের কক্ষের সামনে অবস্থান নেয়। আর কিছু লোক উপজেলা পরিষদের মাঠে অবস্থান নেয়। যারা হাটের সিডিউল ক্রয় করে বাহিরে বের হয় তাদেরই দেহ তল্লাশী করে শিডিউল রেখে দেয়।

এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিএনপি নেতা লাভলু, হানিফা সহ ১০/১২জন ওই সন্ত্রাসীদের মারধরে আহত হয়। এরপর বিকেলে ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন শিকদার, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহবায়ক জুয়েল আরমান সহ বিএনপি নেতাকর্মীরা আসেন উপজেলায়। তখন তার সামনে ওই সন্ত্রাসী উশৃঙ্খলাতা করলে সে প্রতিবাদ করেন।

এসময় সন্ত্রাসীরা রুহুল আমিন শিকদারকে মারধর করলে বিএনপি নেতা আরিফ প্রতিবাদ করলে তাকেও মারধর করে। পরে খবর পেয়ে বিএনপির লোকজন এসে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে কয়েকজনকে গণপিটুনী দেয়। তখন ওই সন্ত্রাসীদের মধ্যে কিছু পালিয়ে যায় আর ৮জন উপজেলা কার্যালয়ের অফিস কক্ষে আশ্রয় নেয়। এসময় পুলিশ তাদের আটক করেন। তাৎক্ষনিক আটককৃতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহতরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।

এদিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, সদরের ১৫টি পশুর হাটের শিডিউল বিক্রি হয়েছে। এরমধ্যে কিছু উশৃঙ্খল যুবক পরিস্থিতি অশান্ত করে তুলেছে। তাদের আটক করা হয়েছে। নাম পরিচয় জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।