ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০ ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, জানালেন ফিফা সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার টুঙ্গিপাড়ায় পঙ্গু স্বামী ও শিশুকন্যাকে রেখে স্ত্রীর পলায়ন ব্যারাক থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ কলাবাগান থানার এসআই রাকিবুল সরকার-বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির সফল অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবার আগুনে পুড়লো টিসিবির পণ্য, খালি হাতে ফিরলো নিম্নআয়ের মানুষ নিজের প্রাক্তন কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়

ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত, এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর যে ইরান যুদ্ধখুব শিগগিরইশেষ হবে, এ খবরের প্রভাবেই মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল বাব্রেন্ট ক্রুড অয়েল’-এর দাম প্রায় ৮.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে দামের এই পতনের পরও চলমান সংঘাত শুরুর আগে তুলনায় তেলের দাম এখনও প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, দামের হ্রাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সোমবার (৯ মার্চ) তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধখুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।

তেলের দামের পতনের কারণে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক প্রায় ২.৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, এশিয়ার অনেক দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল আমদানি করে, তাই তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে তাদের শেয়ারবাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। এখন দাম কমার সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্যইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় অনেক তেল ট্যাঙ্কার চলাচল সীমিত করেছে। পাশাপাশি কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন ও রফতানি কমাতে পারেএমন শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে, ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পরই কমতে শুরু করলো জ্বালানি তেলের দাম।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০

ইরান যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত, এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দামে পতন

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পর যে ইরান যুদ্ধখুব শিগগিরইশেষ হবে, এ খবরের প্রভাবেই মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আলজাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল বাব্রেন্ট ক্রুড অয়েল’-এর দাম প্রায় ৮.৫ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২.৫০ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামও প্রায় ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলার ৬০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে দামের এই পতনের পরও চলমান সংঘাত শুরুর আগে তুলনায় তেলের দাম এখনও প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, দামের হ্রাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সোমবার (৯ মার্চ) তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধখুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে।

তেলের দামের পতনের কারণে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক প্রায় ২.৮ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৫ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, এশিয়ার অনেক দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে তেল আমদানি করে, তাই তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে তাদের শেয়ারবাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। এখন দাম কমার সঙ্গে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্যইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে বাড়তে থাকা সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ায় অনেক তেল ট্যাঙ্কার চলাচল সীমিত করেছে। পাশাপাশি কয়েকটি তেল উৎপাদনকারী দেশ উৎপাদন ও রফতানি কমাতে পারেএমন শঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। তবে, ট্রাম্পের ইঙ্গিতের পরই কমতে শুরু করলো জ্বালানি তেলের দাম।