ঢাকা , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানকে দ্রুত হামলা বন্ধের আহ্বান ইউরোপীয় ইউনিয়নের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

এবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরান ও তার মিত্রদের প্রতি দ্রুত আঞ্চলিক হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।

এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা ইরানের বাছবিচারহীন হামলার নিন্দা জানান এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে বেসামরিক মানুষ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার আহ্বান জানান।

তারা বিশেষভাবে জ্বালানি ও পানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখার জন্য একটি সাময়িক বিরতির কথাও বলেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ইরানকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানায়।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি না করার জন্যও সতর্ক করা হয়। কারণ এই পথ দিয়ে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এর আগে ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর ইরান পাল্টা আক্রমণ চালায়, যার ফলে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানকে দ্রুত হামলা বন্ধের আহ্বান ইউরোপীয় ইউনিয়নের

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

এবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরান ও তার মিত্রদের প্রতি দ্রুত আঞ্চলিক হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।

এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা ইরানের বাছবিচারহীন হামলার নিন্দা জানান এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে বেসামরিক মানুষ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার আহ্বান জানান।

তারা বিশেষভাবে জ্বালানি ও পানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখার জন্য একটি সাময়িক বিরতির কথাও বলেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ইরানকে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানায়।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি না করার জন্যও সতর্ক করা হয়। কারণ এই পথ দিয়ে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এর আগে ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর ইরান পাল্টা আক্রমণ চালায়, যার ফলে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।