ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

ইরানে পবিত্র ঈদুল ফিতর শনিবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ২৯ বার পড়া হয়েছে

ইরানে পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে আগামী শুক্রবার এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী দিন অর্থাৎ শনিবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। শিয়া মুসলিম প্রধান এই দেশটিতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দপ্তর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, চাঁদ দেখার পর এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে আগামীকাল শুক্রবার হবে রহমতের মাস রমজানের ৩০তম দিন। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর শনিবার শাওয়াল মাসের চাঁদ অনুযায়ী দেশবাসী খুশির ঈদে মেতে উঠবেন।

ইরানের এই ঘোষণার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে প্রতিবেশী দেশ ইরাকও। দেশটির শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী আলসিস্তানিও শনিবার ঈদ উদযাপনের কথা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য যে, চলতি মাসেই মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় তাঁর পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তিনি এই পদে স্থলাভিষিক্ত হন। ইরান এই বর্তমান সংঘাতকেরমজান যুদ্ধহিসেবে অভিহিত করেছে, যার মধ্যেই ধর্মীয় এই উৎসবটি পালন করতে যাচ্ছে দেশটির নাগরিকরা।

এবারের ঈদুল ফিতর ইরানের জন্য এক অনন্য তাৎপর্য বহন করছে, কারণ রমজানের শেষ দিনটি কাকতালীয়ভাবেনওরোজবা ইরানি নববর্ষের সঙ্গে মিলে গেছে। বসন্ত বিষুব বা স্প্রিং ইকুইনক্সের এই সময়ে ইরানিরা ঐতিহ্যগতভাবে নতুন বছর উদযাপন করে থাকেন। একই সঙ্গে ঈদ এবং নববর্ষের এই মিলন মেলা ইরানি জনজীবনে এক মিশ্র অনুভূতির সৃষ্টি করেছে। মুসলিম চান্দ্র ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শাওয়াল মাসের বাঁকা চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই এই ঈদের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো পবিত্র রমজান মাসের রোজা পালন। মাসব্যাপী সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, ধূমপান এবং শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান এই ইবাদতে মশগুল থাকেন। সিয়াম সাধনার পাশাপাশি এই সময়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের দানসদকা করার মাধ্যমে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হন বিশ্বাসীরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যেও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে দেশজুড়ে ঈদের প্রস্তুতি চলছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র: এএফপি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

ইরানে পবিত্র ঈদুল ফিতর শনিবার

আপডেট সময় ১২:১৮:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ইরানে পবিত্র রমজান মাসের শেষ দিন হবে আগামী শুক্রবার এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তী দিন অর্থাৎ শনিবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। শিয়া মুসলিম প্রধান এই দেশটিতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির দপ্তর থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, চাঁদ দেখার পর এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে আগামীকাল শুক্রবার হবে রহমতের মাস রমজানের ৩০তম দিন। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর শনিবার শাওয়াল মাসের চাঁদ অনুযায়ী দেশবাসী খুশির ঈদে মেতে উঠবেন।

ইরানের এই ঘোষণার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে প্রতিবেশী দেশ ইরাকও। দেশটির শীর্ষ শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী আলসিস্তানিও শনিবার ঈদ উদযাপনের কথা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য যে, চলতি মাসেই মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় তাঁর পিতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তিনি এই পদে স্থলাভিষিক্ত হন। ইরান এই বর্তমান সংঘাতকেরমজান যুদ্ধহিসেবে অভিহিত করেছে, যার মধ্যেই ধর্মীয় এই উৎসবটি পালন করতে যাচ্ছে দেশটির নাগরিকরা।

এবারের ঈদুল ফিতর ইরানের জন্য এক অনন্য তাৎপর্য বহন করছে, কারণ রমজানের শেষ দিনটি কাকতালীয়ভাবেনওরোজবা ইরানি নববর্ষের সঙ্গে মিলে গেছে। বসন্ত বিষুব বা স্প্রিং ইকুইনক্সের এই সময়ে ইরানিরা ঐতিহ্যগতভাবে নতুন বছর উদযাপন করে থাকেন। একই সঙ্গে ঈদ এবং নববর্ষের এই মিলন মেলা ইরানি জনজীবনে এক মিশ্র অনুভূতির সৃষ্টি করেছে। মুসলিম চান্দ্র ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শাওয়াল মাসের বাঁকা চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই এই ঈদের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হলো পবিত্র রমজান মাসের রোজা পালন। মাসব্যাপী সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, ধূমপান এবং শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান এই ইবাদতে মশগুল থাকেন। সিয়াম সাধনার পাশাপাশি এই সময়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের দানসদকা করার মাধ্যমে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হন বিশ্বাসীরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মধ্যেও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে দেশজুড়ে ঈদের প্রস্তুতি চলছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। সূত্র: এএফপি