এবার সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার–উজ–জামান বলেছেন, সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি। সামরিক ও অসামরিক বাহিনী একসঙ্গে কাজ করলে যেকোনো কঠিন কাজও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব, এ নির্বাচন তার প্রমাণ। মঙ্গলবার (৫) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টাও বক্তব্য দেন। সেনাপ্রধান বলেন, আমি আপনাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা জাতিকে একটি চমৎকার নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। আমরা পাশে ছিলাম, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পুরোপুরি আপনাদের ওপরই ছিল। সেনাপ্রধান বলেন, একসময় দেশে আশা–নিরাশার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। অনেকেই বলেছিলেন, নির্বাচন হবে না। কিন্তু আমরা সেটিকে ভুল প্রমাণ করে দেশ ও জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনেছি। এটি ছোট কোনো অর্জন নয়।
ডিসিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা চাইলে তা দ্রুত পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট সেনা ফরমেশনকে জানালে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করবে, দুর্যোগ, দুর্ঘটনা বা অন্য যেকোনো পরিস্থিতিতেই আপনাদের সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, সম্মেলনে সামরিক নেতৃত্ব ও সিভিল প্রশাসনের শক্তিশালী উপস্থিতি এবং পারস্পরিক সমন্বয় ভবিষ্যতে আরও কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা করা হয়। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে এ সমন্বিত প্রয়াস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, ৩ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























