ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনায় হচ্ছে নতুন ‘মেগা সংযোগ’, বদলে যেতে পারে দেশের যোগাযোগ মানচিত্র যদি কখনো মারা যাই, আমাদের খুনের বিচার যেন হয়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কোরবানির হাটে এবার ভাইরাল ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী’! আবারও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন গালিবাফ ঈদের দিন ভারী বৃষ্টি হতে পারে রাজধানীসহ দেশের যেসব অঞ্চলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলা করতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত: রাশেদ খাঁন না বুঝেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি, এখন অনেক লজ্জা লাগে: হিমি ছবি করেনি পাঁচটা, তারাও দেখি বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে: বাপ্পারাজ ২০২৬ বিশ্বকাপ জিতবে নেদারল্যান্ডস, ৩২ রাউন্ড থেকে বিদায় নেবে ব্রাজিল: ভবিষ্যদ্বাণী

জামিনে মুক্তি পেলেন বিডিআরের সাবেক ৮ সদস্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ৩৯২ বার পড়া হয়েছে

গত ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় কারাবন্দী থাকা আট সাবেক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তারা মুক্তি পান। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ইউনিট থেকে একজন এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট২ থেকে সাতজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তার কারাগার থেকে একজন বন্দী মুক্তি পেয়েছেন এবং বাকি সাতজন অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি পান।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আট আসামির জামিননামা কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে বন্দীদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্টএর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, যাচাইবাছাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকেলে ছয়জনকে তার কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের রায় ঘোষণা করা হয়। এতে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৭৮ জন খালাস পান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনায় হচ্ছে নতুন ‘মেগা সংযোগ’, বদলে যেতে পারে দেশের যোগাযোগ মানচিত্র

জামিনে মুক্তি পেলেন বিডিআরের সাবেক ৮ সদস্য

আপডেট সময় ১০:১৩:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

গত ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় কারাবন্দী থাকা আট সাবেক বিডিআর সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তারা মুক্তি পান। এর মধ্যে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি ইউনিট থেকে একজন এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট২ থেকে সাতজনকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের জেল সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তার কারাগার থেকে একজন বন্দী মুক্তি পেয়েছেন এবং বাকি সাতজন অন্য ইউনিট থেকে মুক্তি পান।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলার আট আসামির জামিননামা কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় কারাফটকে বন্দীদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্টএর জেল সুপার হালিমা খাতুন জানান, যাচাইবাছাই শেষে শুক্রবার সকালে একজন এবং বিকেলে ছয়জনকে তার কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ৮৫০ জনের রায় ঘোষণা করা হয়। এতে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এছাড়া ২৭৮ জন খালাস পান।