ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘অভিশপ্ত’ মূর্তির গায়েও আর্জেন্টিনার জার্সি, চমকে দিলেন ব্রাজিল সমর্থকরা এমপি থেকে পিয়ন, সবার হাতে বিরোধীদলীয় নেতার ১০ কেজির ‘সারপ্রাইজ বক্স’! ৭০০ বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে গণনা করা হচ্ছে শাহজালাল মাজারের দানের টাকা প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা: গ্রেপ্তার আসামির ৩ দিনের রিমান্ড বিদায়ের আগে চা-শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ করে কারামুক্ত করলেন ডিসি সারওয়ার ম্যারাডোনার ‘শতাব্দীর সেরা গোলের’ ৪০ বছর আজ, স্মৃতিকাতর কোচ স্কালোনি মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতেই সেনা মোতায়েন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতার ‘সোহরাওয়ার্দী অ্যাভিনিউ’র নাম পরিবর্তন করে ‘গোপাল মুখার্জী সড়ক’ নামকরণ করলো বিজেপি সরকার সৌদির পতাকায় ‘কালেমা তাইয়েবা’ থাকায় ম্যাচের আগে মাটিতে বিছানোর বদলে হাতে ধরে প্রদর্শন করাচ্ছে ফিফা

আমি চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়তো প্রতিশোধ নিতে পারি। কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে? কোনো বেনিফিট (লাভ) হবে না। রোববার (২১ জুন) রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আম্মা একবার খুব অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় একটি হসপিটালে অ্যাম্বুলেন্স চাওয়া হয়েছিল। তারা অ্যাম্বুলেন্স দেয়নি। এখন আজকে এই মুহূর্তে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আমি প্রাইম মিনিস্টার, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়তো প্রতিশোধ নিতে পারি, কিন্তু আমি যদি নেই তাতে বেনিফিট কী হবে বলতে পারেন? কোনো বেনিফিট হবে কারো? কোনো বেনিফিট হবে না।

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে একটি অতি সুন্দর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। আমাদেরকে এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। আমাদেরকে এজন্য কষ্ট করতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছেআমাদেরকে এজন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে।প্রবাসীদের জীবনযাত্রার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ঢাকার তুলনায় মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরাই সেখানে কাজ করে এই পরিবেশ গড়ে তুলছেন উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘তারা যদি বিদেশে এভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে দেশে কেন পারব না?’ বিগত সময়ের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিগত এক যুগ আমার ওপর দিয়ে কী গিয়েছে, আমার পরিবারের সঙ্গে কী হয়েছে। কমবেশি একটা ধারণা আপনাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের বেশ কিছু সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেখানে আমি বলেছিলাম, দেখুন বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের পরে এবং তারপরেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সময় কতগুলো ঘটনা ঘটছিল আমার সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটেছে আমার মায়ের সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটছে আমার ভাইয়ের সঙ্গে, বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। আপনারা হয়তো ভুলে গেছেন, সেই সময় হয়তো অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু এখন ভুলে গেছেন। তারেক রহমান বলেন, আমরা যদি সবাই মিলে হইচই করি। সবাই মিলে যদি নিজেরটা দাবি করি, তাহলে কোনোটিই হবে না। শুধু যদি নিজেরটা আমরা চিন্তা করি, তাহলে কোনোটিই হবে না। দেশ আমাদের সবার। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে ধীরে ধীরে এগোতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘অভিশপ্ত’ মূর্তির গায়েও আর্জেন্টিনার জার্সি, চমকে দিলেন ব্রাজিল সমর্থকরা

আমি চাইলে প্রতিশোধ নিতে পারি কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:১২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে। আমি প্রধানমন্ত্রী, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়তো প্রতিশোধ নিতে পারি। কিন্তু এতে বেনিফিট কী হবে? কোনো বেনিফিট (লাভ) হবে না। রোববার (২১ জুন) রাতে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আম্মা একবার খুব অসুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় একটি হসপিটালে অ্যাম্বুলেন্স চাওয়া হয়েছিল। তারা অ্যাম্বুলেন্স দেয়নি। এখন আজকে এই মুহূর্তে বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আমি প্রাইম মিনিস্টার, আমি চাইলে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে হয়তো প্রতিশোধ নিতে পারি, কিন্তু আমি যদি নেই তাতে বেনিফিট কী হবে বলতে পারেন? কোনো বেনিফিট হবে কারো? কোনো বেনিফিট হবে না।

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের সামনে একটি অতি সুন্দর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। আমাদেরকে এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। আমাদেরকে এজন্য কষ্ট করতে হবে। সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছেআমাদেরকে এজন্য ধৈর্য ধারণ করতে হবে।প্রবাসীদের জীবনযাত্রার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ঢাকার তুলনায় মালয়েশিয়ার রাস্তাঘাট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরাই সেখানে কাজ করে এই পরিবেশ গড়ে তুলছেন উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘তারা যদি বিদেশে এভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে দেশে কেন পারব না?’ বিগত সময়ের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বিগত এক যুগ আমার ওপর দিয়ে কী গিয়েছে, আমার পরিবারের সঙ্গে কী হয়েছে। কমবেশি একটা ধারণা আপনাদের আছে।

তিনি আরও বলেন, কয়েকদিন আগে বাংলাদেশের বেশ কিছু সাংবাদিক ভাইদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেখানে আমি বলেছিলাম, দেখুন বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের পরে এবং তারপরেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সময় কতগুলো ঘটনা ঘটছিল আমার সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটেছে আমার মায়ের সঙ্গে, কতগুলো ঘটনা ঘটছে আমার ভাইয়ের সঙ্গে, বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। আপনারা হয়তো ভুলে গেছেন, সেই সময় হয়তো অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু এখন ভুলে গেছেন। তারেক রহমান বলেন, আমরা যদি সবাই মিলে হইচই করি। সবাই মিলে যদি নিজেরটা দাবি করি, তাহলে কোনোটিই হবে না। শুধু যদি নিজেরটা আমরা চিন্তা করি, তাহলে কোনোটিই হবে না। দেশ আমাদের সবার। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করে ধীরে ধীরে এগোতে হবে।