গত ১৯৮৬ সালের ২২ জুন যখন ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগকে স্রেফ খড়কুটো বানিয়ে ম্যারাডোনা সেই রূপকথা লিখছেন, স্কালোনি তখন নেহাতই এক শিশু।
চার দশক আগের সেই শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে স্কালোনি বলেন, ‘আমার যতদূর মনে পড়ে, ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক দিনে আমরা দাদির বাড়িতে ছিলাম। আমরা অনেক মানুষ একসঙ্গে খুব ছোট একটা টিভিতে চোখ রেখে ওই ম্যাচটি দেখছিলাম। আমি নিশ্চিত, আমি সেখানেই ছিলাম এবং ম্যারাডোনার সেই জাদুকরী মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছিলাম।’
সেই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে ২–১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল উঠে আর্জেন্টিনা। পরে জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
এর ৩৬ বছর পর কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে লিওনেল মেসির হাত ধরে আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় বিশ্বকাপ এনে দিয়ে অমরত্ব লাভ করেন কোচ লিওনেল স্কালোনিও।

ডেস্ক রিপোর্ট 























