ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছোট্ট দ্বীপদেশ কেপ ভার্দেতে ইসলামের নীরব পদচারণা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করেছে ভারত মানবতাবিরোধী অপরাধে ১০ বছরের কারাদণ্ড হাসানুল হক ইনুর পলাতক হাসিনার কোনো খবর প্রকাশ করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়ে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা ‘হাত ধরবেন না’, এজলাসে তোলার সময় পুলিশকে ইনু ১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার

নেতানিয়াহুর জন্য যুদ্ধাস্ত্র কেনা ঠিক হবে না: মার্কিন কংগ্রেসম্যান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবিতে এবার সরব হয়েছেন এক প্রভাবশালী মার্কিন আইনপ্রণেতা। তিনি বলছেন, মার্কিন জনগণের করের টাকায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য আর নতুন যুদ্ধাস্ত্র কেনা উচিত নয়।

টেক্সাস থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগ ক্যাসার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, ইসরায়েলে সামরিক সহায়তা বন্ধের লক্ষ্যে কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি সংশোধনী প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেবেন তিনি।

গ্রেগ ক্যাসারের অভিযোগ, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী গুরুতর যুদ্ধাপরাধ করেছে। পাশাপাশি, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি। এসব কারণেই ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তা বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এই মার্কিন আইনপ্রণেতা।

এদিকে, সংশোধনী প্রস্তাবটি কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান টমাস ম্যাসি। প্রস্তাবটি পাস হলে, ইসরায়েলের জন্য বরাদ্দ বার্ষিক ৩৩০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বাতিল হয়ে যাবে। পাশাপাশি, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বাজেটে ইসরায়েলের জন্য নির্ধারিত বিশেষ তহবিলও প্রত্যাহার করা হবে।

জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে প্রতিনিধি পরিষদে এ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের কিছু সদস্যের একই ধরনের অবস্থান মার্কিন রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এটি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

নেতানিয়াহুর জন্য যুদ্ধাস্ত্র কেনা ঠিক হবে না: মার্কিন কংগ্রেসম্যান

আপডেট সময় ০১:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবিতে এবার সরব হয়েছেন এক প্রভাবশালী মার্কিন আইনপ্রণেতা। তিনি বলছেন, মার্কিন জনগণের করের টাকায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য আর নতুন যুদ্ধাস্ত্র কেনা উচিত নয়।

টেক্সাস থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগ ক্যাসার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, ইসরায়েলে সামরিক সহায়তা বন্ধের লক্ষ্যে কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি সংশোধনী প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেবেন তিনি।

গ্রেগ ক্যাসারের অভিযোগ, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী গুরুতর যুদ্ধাপরাধ করেছে। পাশাপাশি, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়ারও অভিযোগ তোলেন তিনি। এসব কারণেই ইসরায়েলকে অস্ত্র সহায়তা বন্ধ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এই মার্কিন আইনপ্রণেতা।

এদিকে, সংশোধনী প্রস্তাবটি কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে উত্থাপন করেছেন রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান টমাস ম্যাসি। প্রস্তাবটি পাস হলে, ইসরায়েলের জন্য বরাদ্দ বার্ষিক ৩৩০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা বাতিল হয়ে যাবে। পাশাপাশি, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বাজেটে ইসরায়েলের জন্য নির্ধারিত বিশেষ তহবিলও প্রত্যাহার করা হবে।

জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে প্রতিনিধি পরিষদে এ প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের কিছু সদস্যের একই ধরনের অবস্থান মার্কিন রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। এটি ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের নীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।